ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

রাজশাহীতে পানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জরিমানা, বিপনন বন্ধের নির্দেশ


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৯ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৪:৩৫ পিএম

উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি:

রাজশাহীর চারঘাটে গুণগত মানসনদ গ্রহণ না করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ‘ড্রিংকিং ওয়াটার (জার) ও নিম্নমানের ‘ব্যাটারী পানি’ উৎপাদন ও বিক্রি করায় ইমরান পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার নামের এক প্রতিষ্ঠানের বিপনন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠানের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় জেলার চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী এলাকায় এ অভিযান চালায়। বুধবার বিএসটিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিএসটিআই, রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা (সিএম) প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ জানান, উপজেলার হলিদাগাছী এলাকায় মানসনদ গ্রহণ না করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ‘ড্রিংকিং ওয়াটার (জার) ও নিম্নমানের ‘ব্যাটারী পানি’ উৎপাদন করে আসছিলো ইমরান পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করায় মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌসের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠানের পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া গুণগত মানসনদ প্রাপ্তি পর্যন্ত সকল প্রকার উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিএসটিআই রাজশাহীর সিএম জানান, ‘ড্রিংকিং ওয়াটার (খাবার পানি)’ অধিকতর মানসম্মত পরিবেশে, পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মান নিয়ন্ত্রণ করে উৎপাদন করতে হয়। মান পরীক্ষণের জন্য কেমিক্যাল ও মাইক্রোবায়োলজিক্যাল ল্যাবরেটরী থাকা আবশ্যক হলেও তার কোনরকম ব্যবস্থাই ছিলো না প্রতিষ্ঠানটিতে। বরং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছিলো খাবার পানি। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ব্যাটারী পানি’ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি যেমন-রভার্স অসমোসিস মেশিন, অ্যানায়ন, ক্যাটায়ন ছিলো না। তারা স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের ব্রান্ড ‘ভলভো’ নকল করে তৈরি করছিলো ব্যাটারী পানি।

আকাশজমিন/আরআর

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর