ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

রাজশাহীতে পানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জরিমানা, বিপনন বন্ধের নির্দেশ


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৯ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৪:৩৫ পিএম

উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি:

রাজশাহীর চারঘাটে গুণগত মানসনদ গ্রহণ না করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ‘ড্রিংকিং ওয়াটার (জার) ও নিম্নমানের ‘ব্যাটারী পানি উৎপাদন ও বিক্রি করায় ইমরান পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার নামের এক প্রতিষ্ঠানের বিপনন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠানের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় জেলার চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী এলাকায় এ অভিযান চালায়। বুধবার বিএসটিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিএসটিআই, রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা (সিএম) প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ জানান, উপজেলার হলিদাগাছী এলাকায় মানসনদ গ্রহণ না করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ‘ড্রিংকিং ওয়াটার (জার) ও নিম্নমানের ‘ব্যাটারী পানি উৎপাদন করে আসছিলো ইমরান পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করায় মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌসের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠানের পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া গুণগত মানসনদ প্রাপ্তি পর্যন্ত সকল প্রকার উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিএসটিআই রাজশাহীর সিএম জানান, ‘ড্রিংকিং ওয়াটার (খাবার পানি)’ অধিকতর মানসম্মত পরিবেশে, পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মান নিয়ন্ত্রণ করে উৎপাদন করতে হয়। মান পরীক্ষণের জন্য কেমিক্যাল ও মাইক্রোবায়োলজিক্যাল ল্যাবরেটরী থাকা আবশ্যক হলেও তার কোনরকম ব্যবস্থাই ছিলো না প্রতিষ্ঠানটিতে। বরং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছিলো খাবার পানি। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ব্যাটারী পানি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি যেমন-রভার্স অসমোসিস মেশিন, অ্যানায়ন, ক্যাটায়ন ছিলো না। তারা স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের ব্রান্ড ‘ভলভো নকল করে তৈরি করছিলো ব্যাটারী পানি।

আকাশজমিন/আরআর

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর