আরিফুল ইসলাম,বাউফল(পটুয়াখালী)।।
বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতা যেমন চ্যালেঞ্জিং পেশা, তেমনি এটি দায়িত্বশীলতার এক বড় উদাহরণ। বিশেষ করে মফস্বল বা গ্রামীণ এলাকায় যখন কোনো দুর্ঘটনা, অন্যায় বা মানবিক ঘটনা ঘটলে সাংবাদিকরা ছুটে যান সত্য তুলে ধরতে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ভুক্তভোগী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সংবাদকর্মীর আতিথেয়তার দায়িত্ব নেন চা, নাশতা বা কখনো খাবারও পরিবেশন করেন।
তবে এই ‘সৌজন্যতা’ যেন ভবিষ্যতে বিপদের কারণ না হয় সেই বিষয়ে সতর্ক থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। দেখা গেছে, সাংবাদিক যদি ঘটনাটির নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক উপস্থাপন করেন এবং সেটি ভুক্তভোগীর প্রত্যাশার সঙ্গে না মেলে, তখন অনেক সময় ভুক্তভোগীর দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। তারা সংবাদকর্মীর ওপর অভিযোগ তুলতে শুরু করেন যেন সাংবাদিক “ওদের খেয়ে এসে উল্টো কথা লিখেছে”।
একজন সাংবাদিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,দূরে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়েছিলাম। ঘটনাটি গভীরভাবে যাচাই করে আমি নিরপেক্ষ প্রতিবেদন তৈরি করি। কিন্তু সংবাদটি যখন প্রকাশ পেল, তখন ভুক্তভোগী বলল, ‘আমও গেল, ছালাও গেল।’ যেন আমি ওর খেয়ে উল্টো কথা লিখেছি।
যমুনা টিভির বাউফল প্রতিনিধি রইসুল ইসলাম বলেন, প্রত্যাশা কখনো মেলে না। আমার এমন অনেক অভিজ্ঞতা আছে যেখানে আমাকে বলে দেয় এভাবে লিখতে হবে নইলে ওরে ফাসানো যাচ্ছে না,অবস্থাটা এমন। তাছাড়া মবক্রেসির এ দেশে সাংবাদিক ছাড়া অন্যরা সবাই সাংবাদিকতা বোঝে।