ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশ বাহিনীকে দক্ষ ও আধুনিক করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আরও ৩০০ টাকা বাড়াতে চান ব্যবসায়ীরা জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, তিন উপসচিবকে ওএসডি ৭ নভেম্বরের কর্মসূচি ঘিরে শেরেবাংলা নগরের জাতীয় যুব মেলা স্থগিত কাতারের নতুন শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান সব ওয়াসা থেকে বোর্ড তুলে নিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী কেন্দ্র থেকে নিবিড় মনিটরিং করা হচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের ভোটগ্রহণ: সিইসি ডাব মার্কার কাগজ নিয়ে কেন্দ্রে জামায়াত এজেন্টরা: ফয়সল আমীন মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অন্য তিন নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরেই মিলল সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার পরিচয়

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড


  • আপলোড সময় : বুধবার ৩০ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৮:৫৯ পিএম

সিরাজগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী মতিউর রহমান খদগীর ওরফে আব্দুল মতিনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ১ লাখ টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে। বিষয়‌টি নিশ্চিত করেছেন, আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট মাসুদুর রহমান। বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক বেগম সালমা খাতুন এ রায় প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত মতিউর রহমান খদগীর ওরফে আব্দুল মতিন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ভায়াট গ্রামের বাহের আলীর ছেলে।

মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ আছে, ২০১০ সালের ২ জুন মানিকগঞ্জ জেলার তেরদোনা শোর হেলাচিয়া বাজার এলাকার আব্দুল কাদেরের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিনের সাথে বিয়ে হয় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মতিউর রহমান খদগীর ওরফে আব্দুল মতিনের। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে আব্দুল মতিন স্থীর কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে। যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকার করায় সাবিনা ইয়াসমিনকে মাঝ মধ্যে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো আব্দুল মতিন। এক পর্যায়ে ২০১১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে তাড়াশ উপজেলার দক্ষিন মথুরাপুর গ্রামের একটি ধান ক্ষেতের মধ্যে থেকে সাবিনা ইয়াসমিনের গলায় ওড়না পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে তাড়াশ থানা পুলিশ।

যৌতুকের ২ লাখ টাকা আদায় করতে ব্যর্থ স্বামী আব্দুল মতিন স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেছে বলে মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এঘটনায় নিহতের বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে আব্দুল মতিন সহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামী করে তাড়াশ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে মতিউর রহমান খদগীর ওরফে আব্দুল মতিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করে পুলিশ। মামলা চলাকালে দীর্ঘ স্বাক্ষ প্রমাণ শেষে আজ আদালত আব্দুল মতিনকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করে।

 

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর