রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।।
অতিবর্ষনে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের প্রধান সড়ক কোর্ট কাম আমিনউল্লা সড়কের বেশ কিছু স্থানে পীচ ঢালাই উঠে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পানি জমে ছোট পুকুর তৈরী হয়েছে। এই সড়কের চেংখালী গ্রামের জোড়াসিঁড়ি নামক স্থানের অবস্থা অত্যন্ত করুন। সড়কের পাশ ঘেঁসে টিলা-পাহাড়ি ঘর রয়েছে ৩০/৩৫টি।
অতিবর্ষনে কাটা পাহাড়ের বালির স্রোতধারা নেমে সড়কে আছড়ে পড়ে সড়কটি
ক্ষতবিক্ষত করে দিচ্ছে। তাছাড়া সড়কের কোন পাশে
বালি পানি নিষ্কাশনের জন্য কোন নালা নেই। অপরিকল্পিত সড়ক নির্মাণ করে বছর বছর মেরামত
করে কোটি কোটি টাকা গচ্ছা দিচ্ছে
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। বর্তমানে
মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালাচ্ছে চালকরা।
এব্যাপারে
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রকৌশলী দিদারুল ইসলাম জানান,
আমিনউল্লা সড়কের মেরামত কাজ অব্যাহত রয়েছে, যেহেতু ৮০ দশকে এই সড়ক ডিসি সড়কের নামে নামকরণ ছিল। তখন উন্নয়নের কাজগুলো করেছে এই
বিভাগ। বর্তমানে ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ১২ ফুট প্রসস্থ কোর্ট কাম আমানউল্লাহ সড়ক তখনই পূর্ণ রূপে নির্মিত হয়েছে। তখন সড়কটি প্রসস্থ ছিল কোথাও ৬ ফুট কোথাও ৭ ফুট । বর্তমানে সড়কের উভয়পাশে কিছু কিছু গাছ কেটে ১২ ফুট প্রসস্থ করা হয়েছে।
সড়কের পাশে অনেকই বাড়ি নির্মান ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় সড়ক প্রসস্থ ও নালা নির্মাণ করা যাচ্ছে না। চেংখালী অংশে আরসিসি (রড, সিমেন্ট, কংকর) ঢালাই করার প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমিনউল্লা সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বেতাগী ছাড়াও কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণের বোয়ালখালী উপজেলা, পটিয়া উপজেলার শতশত পথচারী ও যাত্রী যাতায়াত করে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র /ছাত্রীরাও চরম দুর্ভোগ পড়েছে। চট্টগ্রাম শহরে যাতায়াত করছে শত শত যাত্রী।
জরুরি ভিত্তিতে আমিনউল্লা সড়ক মেরামত ও আর সি সি ঢালাই দিয়ে পুনঃনির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এলাকার ৮ নং ওয়ার্ড ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আবুল মনসুর জানান, উপজেলা প্রকোশলী ও সহকারী উপজেলা প্রকৌশলীদের বারংবার এই সড়কের দূরাবস্থার কথা জানানো হয়েছে। শীঘ্রই সড়ক মেরামত ও আারসিসি ঢালাই দেয়া হোক অন্যথায় এই সড়কে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকা বাসী ।
আকাশজমিন/আরআর