ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ অল্পের জন্য বাঁচলেন আন্তর্জাতিক নেতারা ৩৬ ঘণ্টা পর নিহত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ

পিরোজপুরে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে বঙ্গবন্ধুর ছবি রাখা নিয়ে উত্তেজনা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৫ আগস্ট, ২০২৫ সময় : ৫:০৪ পিএম

পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

উত্তেজনার মুখে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামানো হয়েছে। অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে বঙ্গবন্ধুর ছবি টানিয়ে রাখার বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে বিবেচনা করছেন নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির নেতারা।

বিএনপির স্থানীয় নেতাদের দাবি, সরকার পরিবর্তনের পর উপজেলার অধিকাংশ সরকারি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি সরিয়ে ফেলা হলেও উপজেলার সোনারগোপ রমেশচন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেয়ালে সেই ছবি টাঙানো ছিল। অবদান অনস্বীকার্য হলেও অফিসে শুধু বঙ্গবন্ধুর ছবি রাখাকে পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন তারা।

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. আজাহারুল ইসলাম টুটুল বলেন, “১৭ বছর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এককভাবে বঙ্গবন্ধু ও হাসিনার ছবি টানিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতা সংগ্রামে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব রক্ষা করেনি। আমরা এর বিরোধিতা করি।” বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক মো. রেজাউল কবির প্রশ্ন রেখে বলেন, “প্রধান শিক্ষক যদি বঙ্গবন্ধুর ছবি না সরান, আমরা কী করতে পারি?”

বঙ্গবন্ধুর ছবি নামানোর সরকারি কোনো নির্দেশনা পাননি দাবি করে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষিকা শামীমা ইয়াছমিন বলেন, “তাছাড়া আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা; তাই বঙ্গবন্ধুর ছবিটি নামানো হয়নি।

তিনি বলেন, আমাদের স্কুলের উন্নয়ন কাজের জন্য আসা একজন ঠিকাদার বঙ্গবন্ধুর ছবিটি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন! এ নিয়ে ঠিকাদার রেগে গেলে কিছুক্ষণ পর ছবিটি নামানো হয়।

বঙ্গবন্ধুর ছবি সরানো নিয়ে সরকারি কোনো নির্দেশনা নেই জানিয়ে উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দীন বলেন, “যদিও দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার সব বিদ্যালয় থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরানো হয়েছে।

আকাশজমিন/আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর