ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

বিএনপি নেতা অলির কন্যার বিয়েতে তারেকের উপহার ও সহায়তা


  • আপলোড সময় : সোমবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সময় : ৮:০৫ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার-এর আর্থিক ও নৈতিক সহায়তায় সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্লা অলির দ্বিতীয় কন্যা সাদিয়া সুলতানার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে অনুষ্ঠিত বিয়ের অনুষ্ঠানে নবদম্পতির জন্য বিশেষ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার-এর প্রতিনিধি দল।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, উপদেষ্টা আবুল কাশেম, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. মনিরুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সোলাইমান কবির, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ লিয়াকত আলী বাবু, জেলা যুবদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এস.আই. আশা, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নুরজাহান পারভীন ঝর্নাসহ আরও অনেকে।

নিহতের পরিবার জানিয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও সীমাহীন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে কন্যার বিয়ে আয়োজন করা তাদের জন্য কঠিন ছিল। তবে তারেক রহমান ও বিএনপি পরিবারের সহায়তায় তারা নতুন উদ্দীপনা পেয়েছেন। নিহত অলির স্ত্রী আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, "আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আজও সেই শোক বুকের ভেতর আছে। তবে মেয়েদের বিয়েতে যেভাবে সহযোগিতা করা হলো, তাতে মনে হচ্ছে আমরা একা নই।"

স্থানীয়রা জানান, অলিউল্লাহ মোল্লা অলি শুধু একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো উদার মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পরিবারটি দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১০ জুলাই পুলিশের গুলিতে বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্লা অলি নিহত হন। বিএনপি এই ঘটনাকে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে দাবি করে আসছে। এর আগে ২০২৪ সালে তার বড় কন্যা নাঈমা সুলতানার বিয়ের আয়োজনের দায়িত্বও নিয়েছিলেন তারেক রহমান।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর