ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

সুন্দরগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সময় : ৪:২৭ পিএম

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি :

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ৭ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (১৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।  শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেনদক্ষিণ ধুমাইটারি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সজিব (২০), একই গ্রামের আনারুলের ছেলে সোহেল রানা (১৮) ও নাহিদ ইসলাম (১৯)। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রতিবেশী ফুফা হিসেবে সজিবের সাথে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর প্রায় সময়ে মোবাইলে কথা বলতেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার সজিব রাতে ওই কিশোরীর সাথে দেখা করতে বলে।

শুক্রবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে বাড়িতে থেকে ডেকে নেয় অভিযুক্ত যুবক। গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে বলে তাকে বাড়ির বাহিরে আসতে বলেন। এরপর ওই কিশোরীকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে নিয়ে যায় সজিব। তারপর পার্শ্ববর্তী চিত্তরঞ্জনের একটি বাঁশ ঝাড়ে নিয়ে গিয়ে প্রথমে সজিব জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে সজিবের দুই বন্ধু নাহিদ ও সোহেল পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

এসময় অভিযুক্ত সজিবকে ধাওয়া করে ভুক্তভোগী ওই কিশোরী। পরে দুই পথচারী তার কাছে ঘটনার বিস্তারিত জেনে সেখান থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন। তবে, বিষয়টি দীর্ঘ সময় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা।

এদিকে, ওই কিশোরী বিকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে থানায় ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে আসে। আগামী শনিবার সকালে তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।তবে, চাঞ্চল্যেকর এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম আজাদ জানান, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি অভিযোগ দাখিল করেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর