উপমহাদেশের বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত আচার্য শৈলজারঞ্জন মজুমদারের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র
মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে দেশের কৃতী সন্তান, উপমহাদেশের বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত আচার্য শৈলজারঞ্জন মজুমদারের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নেই কোনো কার্যক্রম। ৩৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ও নান্দনিক সৌন্দর্যে উদ্ভাসিত শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে গত এক বছরেও কোনো সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হয়নি। অবহেলা, অযত্ন আর পরিচর্যার অভাবে প্রায় পরিত্যক্ত রূপ নিয়েছে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি। বর্তমানে নামকাওয়াস্তে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে দর্শনার্থী প্রবেশ কার্যক্রম চলমান রয়েছে মাত্র।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা গেছে, সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি জনমানব শূন্য। শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রকল্পটি আওয়ামীলীগ সরকার ২০২৩ সালের ১১ মার্চ উদ্বোধন করেন। এখানে প্রকল্পের ভেতরে শৈলজারঞ্জন মজুমদারের ম্যুরাল, তিন তলা বিশিষ্ট একাডেমি ভবন, মিলনায়তন ভবন, লাইব্রেরি, শৈলজারঞ্জন মজুমদারের স্মৃতিচিহ্ন ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়ে ১টি জাদুঘর, ৩১০ সিটের মালটিপারপাস কনফারেন্স হল ও মুক্তমঞ্চ বিদ্যমান রয়েছে।
অফিস
সহকারী অনিক রায়ের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখানে গত বছরের ১৬ জুন থেকে চলতি বছরের
আগস্ট পর্যন্ত দর্শনার্থী প্রবেশে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯২০ টাকা আয় হয়েছে। ওই টাকায় কর্মচারীদের
বেতনই হয় না। মাসিক বেতন ও বিদ্যুৎ বিল প্রায় লাখ টাকা।
আকাশজমিন/আরআর