নেত্রকোনা প্রতিনিধি
নেত্রকোনায় বিয়ের ফাঁদে ফেলে তিন নারীকে চীনে পাচারের চেষ্টাকালে এক চীনা নাগরিকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। রবিবার রাত দুইটার দিকে কেন্দুয়া পৌর সদরের সলফ-কমলপুর গ্রামের রুবেল মিয়ার বাড়িতে থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হচ্ছে, চীনের পাসপোর্টধারী নাগরিক লি ওয়েই হাও ও কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সুখদেব পশ্চিমপাড়া গ্রামের ফরিদুল ইসলাম। এ সময় তিন নারীকেও উদ্ধার করা হয়। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে রবিবার রাত ১০টার দিকে সলফ-কমলপুর গ্রামের রুবেল মিয়ার বাড়িতে একটি প্রাইভেটকারে করে পাঁচজন নারী-পুরুষ আসেন। তাদের মধ্যে একজন চীনের নাগরিক লি ওয়েই হাও ও ফরিদুল ইসলাম। বাকি তিনজন হচ্ছেন তরুণী। তারা গাজীপুরে গার্মেন্টসে কাজ করেন। এদের দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা বাড়ির মালিক রুবেল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন, চীনের নাগরিক লি ওয়েই হাউ একজন গার্মেন্টস কন্যাকে (তিনজনের একজন) বিয়ে করেছেন। লি ওয়েই হাউ ওই তিন নারীকেই চীনে নিয়ে যাবেন।
এ সময় স্থানীয়রা তাদের কাছে উপযুক্ত কাগজপত্র দেখতে চাইলে তারা যেসব কাগজপত্র দেখান, তাতে আরও সন্দেহ বাড়ে। পরে বিষয়টি কেন্দুয়া থানা পুলিশকে জানানো হয়। রাত দুইটার দিকে কেন্দুয়া থানা পুলিশ রুবেল মিয়ার বাড়ি থেকে চীনা নাগরিক লি ওয়েই হাও ও তার বাংলাদেশী এজেন্ট সঙ্গী ফরিদুল ইসলামকে আটক এবং তিন নারীকে উদ্ধার করেন। ওসি মিজানুর রহমান বলেন, কাগজপত্র যাচাইবাছাই করে মনে হয়েছে, এরা একটি পাচারচক্র। পাচারের উদ্দেশ্যে ওই তিন নারীকে বিদেশে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে আরও গভীরভাবে তদন্ত করার প্রয়োজন রয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। #
আকাশজমিন / আরআর