ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নারী টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়লেন নিগার সুলতানা ইয়েমেনের মারিবে হুথিদের অস্ত্রের গুদামে বিমান হামলা সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উদ্বেগ আসিফ নজরুলের নির্দেশেই বিশ্বকাপে খেলেনি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করতে ইউএনডিপির সাহায্য চান এলজিআরডি মন্ত্রী যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১ ওবায়দুল কাদেরের সম্পদের পরিমাণ কত? সারের ডিলার কমিশন বাড়লেও কৃষকের কেনা দাম একই থাকছে কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের অপচেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংঘাতের জন্য সবাই মুখিয়ে আছে: তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম


রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিএমএ ভবনে ‘মাজার সংস্কৃতি: সহিংসতা, সংকট ও ভবিষ্যৎ ভাবনা’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ

  • আপলোড সময় : শনিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ সময় : ৫:৪৯ পিএম

স্টাফ রিপোর্টার 

তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলো সংঘাতের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। তবে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থানের কারণে তারা এখন পর্যন্ত সরাসরি সংঘাতে জড়াচ্ছে না। মাহফুজ আলম মনে করছেন, অল্প কয়েক মাসের মধ্যে এই উত্তেজনা দৃশ্যমান হবে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যদি সংঘাতের সঙ্গে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ যুক্ত হয়, তাহলে দেশের পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিএমএ ভবনে ‘মাজার সংস্কৃতি: সহিংসতা, সংকট ও ভবিষ্যৎ ভাবনা’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এসব কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করেছে সুফি সম্প্রদায় নিয়ে গবেষণা করা প্ল্যাটফর্ম ‘মাকাম’।

তথ্য উপদেষ্টা জানান, আওয়ামী লীগ ‘দরবারগুলোর’ সঙ্গে সংযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, কয়েক দশক ধরে মাজার ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে সমস্যা চলমান। রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদ চলে গেলেও সামাজিক জায়গায় ফ্যাসিবাদ রয়ে গেছে। দেশের মুসলমানদের মধ্যে বিভিন্ন ধারার মধ্যে সমন্বয় না থাকলে রাষ্ট্র শঙ্কার মধ্যে থাকবে।

মাহফুজ আলম বলেন, রাজনৈতিক নেতারা ধর্মীয় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংলাপের সুযোগ সৃষ্টি করেননি। বরং কওমি, সুন্নি ও সুফি সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে। এই বিভাজনকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৫ বছরে এক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আদর্শিক বিরোধিতার কারণে সুফি ঘরানারাও ব্যবহৃত হয়েছেন। এ পরিমণ্ডলেই ধর্মীয় রাজনীতি আটকে রয়েছে।

তথ্য উপদেষ্টা দেশের বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্রের দূতাবাসের সঙ্গে মাজারগুলোর সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কিছু দূতাবাস মাজার ধ্বংসের আগ্রহী। তবে ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ ও তাণ্ডবকে ভয় না পেয়ে রাষ্ট্রীয়, রাজনৈতিক ও নীতিগত দিক থেকে মোকাবিলা করতে হবে।

মাহফুজ আলম আরও বলেন, একটি ক্ষোভের জায়গা আছে যে এক বছরে কিছু কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই ক্ষোভ থেকে পাল্টা আঘাতের চিন্তা করলে সমস্যার সমাধান হবে না। মাজারে হামলার পর অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে মাজারগুলোর সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। তিনি মাজার পরিচালনা কর্তৃপক্ষকে মামলা করার আহ্বান জানান।

বক্তব্যের শেষ অংশে সাংবাদিকরা জানতে চাইলেন, তিনি কখন পদত্যাগ করবেন। তবে আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্ক না থাকার কারণে তথ্য উপদেষ্টা এ প্রশ্নের উত্তর দেননি।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর