সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ভিপি আয়নুল হক, সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে সাবেক সংসদ সদস্য এম আকবর আলী, সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম এবং সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ডা. এম এ মুহিত।
তবে জেলার গুরুত্বপূর্ণ সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর ও সদরের একাংশ) আসনে কোনো প্রার্থীর নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসনটি বিএনপির নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের শরিক কোনো দলকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনীত প্রার্থীরা ইতোমধ্যে নিজ নিজ এলাকায় নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন। নির্বাচনী মাঠে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়ে। একাধিক এলাকায় আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের খবর পাওয়া গেছে।
জেলা বিএনপির একাধিক নেতা জানান, দীর্ঘদিন পর একযোগে সিরাজগঞ্জের পাঁচটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা হওয়ায় কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। তারা আশা করছেন, এবার ঐক্যবদ্ধ প্রচারণার মাধ্যমে বিএনপি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে।
এদিকে, তৃণমূল নেতারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ায় ভোটারদের আস্থা অর্জন সহজ হবে।” তারা মনে করেন, এবার সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সিরাজগঞ্জের একাধিক আসনে বিএনপির জয় সম্ভব।
প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, “জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য বিএনপি নির্বাচন করছে। সিরাজগঞ্জবাসীর ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে আমরা অবশ্যই জয়ী হব।”
অন্যদিকে, বাকি প্রার্থীরাও তাদের নির্বাচনী এলাকায় মাঠপর্যায়ের যোগাযোগ জোরদার করছেন। স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়গুলোতে চলছে প্রচারণার প্রস্তুতি ও কর্মী সমাবেশের আয়োজন।
সিরাজগঞ্জে মোট ছয়টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থী ঘোষণা দিলেও একটি আসন এখনো জোটগত সমন্বয়ের জন্য খালি রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আকাশজমিন / আরআর