ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

চট্টগ্রামে থানার মেসে এএসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার


এএসআই মো. অহিদুর রহমান

  • আপলোড সময় : রবিবার ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৫:০২ পিএম

চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানার মেসের বাথরুম থেকে মো. অহিদুর রহমান নামে এক এএসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে থানার মেসের বাথরুমে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত এএসআই মো. অহিদুর রহমানের বাড়ি নোয়াখালীর কবিরহাটে। তার বাবার নাম মো. শহিদুল্লাহ। কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন ও সহকর্মীদের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করায় কেউই তার এমন মৃত্যু ঘটবে বলে ধারণা করতে পারছেন না। সহকর্মীরা জানান, শনিবার রাতেও তিনি নিয়মিত ডিউটি করেছেন। সকালে ডিউটি শেষে মেসে গিয়ে বাথরুমে গোসল করতে প্রবেশ করেন। দীর্ঘসময় পার হয়ে গেলেও তিনি বাইরে না আসায় সহকর্মীরা প্রথমে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা।

তৎক্ষণাৎ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক জানান, আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা আরও জানান, তিনি কোনো ধরনের ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যার কথা কাউকে জানাননি। কাজের প্রতি তার নিষ্ঠা এবং আচরণ ছিল স্বাভাবিক। কী কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে থানার অন্যান্য সদস্যদের মধ্যেও শোক ও হতবিহবলতা ছড়িয়ে পড়েছে।

পুলিশের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হবে। কোনো ধরনের রহস্য বা অসঙ্গতি থাকলে সেটিও যাচাই করা হবে। পাশাপাশি নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানান।

সহকর্মীদের ভাষ্যমতে, অহিদুর রহমান ছিলেন শান্ত স্বভাবের ও দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা। তার আকস্মিক মৃত্যুতে থানায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর