ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

আমতলীতে দুই ভাই বিক্রি করলেন বাঁধের গাছ


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:০১ পিএম

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ মোঃ জসিম উদ্দিন ও আমিনুল ইসলাম নামের দুই ভাই বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড এতে বাঁধা দিলেও তারা তা আমলে নেয়নি। এমন অর্ভিযোগ স্থানীয়দের। জসিম উদ্দিন কুকুয়াহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। ঘটনা ঘটেছে সোমবার আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুতুবপুর মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় । জানাগেছে, আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া গ্রামের ১৯৬৫ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করে।

ওই বাঁধের রিভার ও কাইন্টি সাইটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২০০ ফুট জমি রয়েছে। ওই জমিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০০০ সালে মেহগনি, চাম্বল ও শিশুসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন করে। ৫০টির অধিক গাছ কুকুয়াহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জসিম উদ্দিন ও তার ভাই আমিনুল ইসলাম ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। স্থানীয় গাছ ব্যবসায়ী বেল্লাল মিয়া ওই গাছ ক্রয় করেছেন। তিনি গত তিনদিন ধরে ওই গাছ কেটে নিচ্ছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন জসিম উদ্দিন ও আমিনুল ইসলাম বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ বেল্লাল বেপারীর কাছে বিক্রি করেছেন।

বুধবার সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, কাটা গাছ স্তুপ আকারে রাখা হয়েছে। বেলাল মিয়া গাছ নিয়ে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ী বেল্লাল মিয়া বলেন, জসিম মাষ্টার ও তার ভাই আমিনুল ইসলাম আমার কাছে ৮৫ হাজার টাকায় গাছ বিক্রি করেছেন। তাই আমি গাছ কাটতেছি। ওই গাছ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিনা তা আমার জানা নেই? কুকুয়াহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, আমার রেকর্ডীয় জমিতে রোপনকৃত গাছ বিক্রি করেছি। এখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোন গাছ নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যসহকারী মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির গাছ জসিম ও তার ভাই বিক্রি করে দিয়েছেন। ওই গাছ বেল্লাল নামের একজন কেটে নিচ্ছেন। বাঁধা দিলেও তিনি মানেননি।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আজিজুর রহমান সুজন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে রোপনকৃত গাছ কাটা হয়েছে। বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হান্নান প্রধান বলেন, বাঁধের গাছ কেটে নেয়ার কোন সুযোগ নেই। খোজ খবর নিয়ে যারা গাছ কেটেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর