ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

নারী নেত্রীর হুমকিতে ভয়ে পালাচ্ছেন অভিযোগকারী


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:৩৭ পিএম

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলীতে থানায় অভিযোগ করায় নাসিমা বেগম নামের এক নারী এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা মহিলা দলের স্বঘোষিত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা আক্তার হেপি তাকে অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি আহত নাসিমাকে চিকিৎসা গ্রহণেও নাকি বাধা দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

জানা যায়, আমতলী উপজেলার তালুকদার বাজার এলাকায় নাসিমা বেগমের বোনের ছেলে মহসিন তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা এবং বোনের মেয়ে শান্তা আক্তার পৌনে এক ভরি স্বর্ণ ধার নেন। তিন মাস পার হয়ে গেলেও তারা টাকা বা গহনা কিছুই ফেরত দেননি। গত সোমবার নাসিমা টাকা ও গহনা চাইতে গেলে মহসিন ও শান্তা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধর করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলেও—নাসিমার অভিযোগ, মহিলা নেত্রী হেপি ও বিএনপি নেতা মোঃ জুয়েল আজাদ তাকে চিকিৎসা নিতে বাধা দেন।

নাসিমা জানান, “হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে তারা বারবার বাধা দেয়। পরে আমি থানায় অভিযোগ করি। কিন্তু এখন আমাকে অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।” নারী নেত্রী মাহমুদা আক্তার হেপি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “নাসিমা ও মহসিন দু’জনেই আমার এলাকার মানুষ। সমঝোতা করার জন্যই কথা বলেছি।”

আমতলী উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক মীরা খান বলেন, “মাহমুদা আক্তার হেপি মহিলা দলের কর্মী হলেও তিনি কোনো পদে নেই। অনেকেই স্বেচ্ছায় নিজেদের পদবী দাবি করেন।”

আমতলী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, “অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টি জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর