ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

তেঁতুলিয়ায় টানা তিন দিন মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, কাঁপছে জনজীবন


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ১০:১৬ এএম

অনলাইন ডেস্ক

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় টানা তিন দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। উত্তরের শীতল বাতাস ও হাড়কাঁপানো শীতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ। জীবিকার তাগিদে মাঠে-ঘাটে কাজ করতে গিয়ে প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তারা। শীতের প্রকোপ বাড়লেও অনেকের পক্ষে প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের ব্যবস্থা করা সম্ভব হচ্ছে না।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৭ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার। কুয়াশা তেমন না থাকলেও সকালে সূর্য উঠেছে ঝলমলে রোদ নিয়ে, তবে উত্তরের ঠান্ডা বাতাসের কারণে রোদের তাপ খুব একটা অনুভূত হয়নি।

এর আগের দিন শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সকালে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ মৌসুমে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন।

দিন ও রাতের তাপমাত্রার বড় পার্থক্য, উত্তরের শীতল বাতাসের প্রবাহ এবং বাতাসে আর্দ্রতার তারতম্যের কারণে শীতের অনুভূতি কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ, দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক ও ভ্যানচালকেরা। ভোরের দিকে কাজে বের হতে গিয়ে অনেককে শীতের সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে।

শীত নিবারণের জন্য অনেককে রাস্তাঘাট, বাড়ির সামনে কিংবা চা-স্টলের পাশে খড়কুটো ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে সকাল ও গভীর রাতে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত অসুস্থতার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক দিনে ঠান্ডা বাতাসের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সকালের দিকে বাজার, হাট ও সড়কে মানুষের চলাচল কমে যাচ্ছে। কৃষিকাজেও শীতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, টানা তিন দিন ধরে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে অবস্থান করছে এবং এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তিনি জানান, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। এ কারণে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, স্থানীয়ভাবে শীতার্ত মানুষের মাঝে সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 



এ সম্পর্কিত আরো খবর