ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

হাদির গুলির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে: মির্জা ফখরুল


  • আপলোড সময় : রবিবার ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৫:০৩ পিএম

নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ যখন একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক সেই সময় নতুন করে দেশের শত্রুরা হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ওসমান হাদিকে গুলি করার মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, “গত পরশু একটি হত্যাচেষ্টা হয়েছে। আমরা আশঙ্কা করছি, এই রকম আরও ঘটনা ঘটতে পারে।”

তিনি বলেন, দেশের মানুষ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে যেতে চাইছে। কিন্তু একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা সৃষ্টি করে সেই অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে চাইছে। এ ধরনের হামলা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির মহাসচিব জানান, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বর্তমানে অত্যন্ত অসুস্থ থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। একইভাবে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকেও নেতারা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

তিনি বলেন, “আমরা আজ এখানে এসে শপথ গ্রহণ করেছি— যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব।”

মির্জা ফখরুল ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের ভয়াবহ ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা পরিকল্পিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, গবেষক, কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকদের তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছিল। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, “এই জাতি তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়েছে। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার লক্ষ্যেই এই নির্মমতা চালানো হয়েছিল।”

বিএনপির মহাসচিব বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস জাতির জন্য একটি গভীর শোকের দিন। এই দিনে জাতি বারবার তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের কথা স্মরণ করবে এবং স্বাধীনতার চেতনাকে আরও শক্তিশালী করবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সহিংসতা ও হত্যার রাজনীতির বিরুদ্ধে জনগণকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকারও স্পষ্টভাবে উঠে আসে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর