আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস। এতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসির হাসান খান, গোয়ালন্দ ঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মমিনুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশিদুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রদীপ কুমার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু বক্কর, নির্বাচন অফিসার মো. জসিম উদ্দীন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জয়ন্ত কুমার দাস, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল কাদের, রাবেয়া ইদ্রিস মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল কাদের শেখ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আব্দুস সামাদ মোল্লাসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন। আলোচনা সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অবদান স্মরণ করে তাদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয় এবং জাতীয় ঐক্য ও স্বাধীনতা রক্ষায় একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস প্রতি বছর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে পালিত হয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দেশের বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর বিরুদ্ধে বিশেষ নিষ্ঠুরতা চালানো হয়েছিল, যা দেশের ইতিহাসে কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। এই দিনে তাদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে জাতি একত্রিত হয় এবং ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য স্বাধীনতা ও মুক্তির মূল্য উপলব্ধির শিক্ষা দেয়।
গোয়ালন্দে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন এবং বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে এক বর্ণিল ও গুরুত্ববহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও তাদের আত্মত্যাগের কাহিনী পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে জাতীয় ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।
আকাশজমিন / আরআর