ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

থানায় ঘুমন্ত পুলিশের সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্রলীগ নেতার সেলফি


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৮:০৬ পিএম

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতা গ্রেপ্তার হওয়া সত্ত্বেও থানা হেফাজতে থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মোঃ শোয়াইব-উল ইসলাম মহিম (২১) পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও ওই ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি। তিনি ১৭ ডিসেম্বর রাতে পটিয়া পৌর সদরের কাগজীপাড়া এলাকা থেকে বিজয় দিবস উপলক্ষে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন।

গ্রেপ্তার হওয়ার পরও শোয়াইব ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট দেয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তার একটি স্ট্যাটাসে লেখা ছিল, “আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমি পটিয়া থানায়। দেখা হবে আবারো, ফিরবো বীরের বেশে কোনো একদিন। জয় বাংলা।” পরবর্তীতে থানার অফিস কক্ষে হাতকড়া পরা ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, “এইদিন নয়, দিন আরও আছে।”

তাঁর আরও একটি পোস্টে দেখা যায়, ডিউটিরত অবস্থায় এক পুলিশ সদস্যের ঘুমন্ত ছবির সঙ্গে সেলফি তুলে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “ঘুম ভালোবাসি... জীবন যেমনই হোক বিনোদন মিস করা যাবে না।” এছাড়া তিনি ছাত্রলীগের এক নেতার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন।

পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক জানান, গ্রেপ্তার হওয়ার সময় শোয়াইব মোবাইলটি গার্মেন্টসের নিচে লুকিয়ে রাখেন। পরে পুলিশ তা বুঝে নিয়ে মোবাইলটি জব্দ করে। তিনি বলেন, বিষয়টি নজরে আনা হয়েছে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ করে রাজনীতি ও ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি করেছে। অনেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে পটিয়া থানা কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ ও তদন্ত প্রতিবেদন শীঘ্রই প্রকাশ করার কথা জানিয়েছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর