বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকায় পৌঁছেছেন। তাকে বহনকারী উড়োজাহাজটি বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ৩৯ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দর এলাকায় বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে তিনি সিলেট হয়ে ঢাকায় আসেন। উড়োজাহাজটি বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সিলেটে নেমেই তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, “অবশেষে সিলেটে, বাংলাদেশের মাটিতে।”
তারেক রহমানকে বহনকারী বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফেরার এই যাত্রায় তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
বিএনপি তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সংবর্ধনার প্রস্তুতি নিয়েছে। রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে সুবিশাল মঞ্চ। বিমানবন্দরে নামার পর সরাসরি সংবর্ধনাস্থলে যাবেন তিনি।
সংবর্ধনার জন্য দেশব্যাপী নেতা-কর্মীরা পূর্বাচল ৩০০ ফিট হাইওয়ে এলাকায় বুধবার রাত থেকেই জড়ো হতে শুরু করেছেন। স্লোগান, ব্যানার, পতাকা ও ফেস্টুনে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। উপস্থিত সবাই এককথা স্লোগান দিচ্ছেন—‘লিডার আসছে’।
প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফেরার এই মুহূর্তটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ও অবিস্মরণীয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংবর্ধনাস্থলে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরো এলাকা নিরাপদ রাখতে দায়িত্বে রয়েছেন।
সংবর্ধনাস্থলে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে ৪৮ ফুট বাই ৩৬ ফুটের বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। এই মঞ্চে তারেক রহমান উপস্থিত নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন। এরপর তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। বিমানবন্দর সড়ক হয়ে কাকলীর মোড় অতিক্রম করে গুলশান-২ নম্বরে তার বাসভবনে ফিরে আসবেন।
প্রিয় নেতাকে দেখার জন্য রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নেতা-কর্মীরা সমবেত হয়েছেন। রাতভর অপেক্ষা ও স্লোগান দিয়ে তারা নিজেদের উৎসাহ প্রকাশ করছেন। তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের এই মুহূর্তে ঢাকা শহর উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে।