বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় তারা রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের পেছনের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) এ উপস্থিত হয়ে আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দিয়েছেন।
নিবন্ধন শেষে এনআইডি ডিজি জানান, সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের তথ্য সার্ভারে যাচাই করবে। যদি কোনো মিল না পাওয়া যায়, তাহলে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে। এনআইডি বা স্মার্টকার্ড নেওয়া যাবে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে বা মোবাইলের মাধ্যমে ডাউনলোডও করা সম্ভব।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সিনিয়র সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তারা জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে পাবেন। ভোটার হওয়ার জন্য অনলাইন ফরম পূরণ করেছেন তারেক রহমান ও তার কন্যা। তারা ভোটার হবেন ঢাকা-১৭ আসনের গুলশান এলাকার ডিএনসিসি ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে।
এদিন সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তারেক রহমান গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে বের হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে শহীদ ওসমান হাদির কবরের কাছে যান। সেখানে গাড়ি থেকে নেমে প্রথমে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরে ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত করেন।
নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষে তারেক রহমান নির্বাচন কমিশন ভবন থেকে বের হয়ে বনানীতে যান, যেখানে তিনি তার ছোট ভাই মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেন। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি দেশের ভোটার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করছেন।
তারা ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ায় আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিত হবে। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা জানিয়েছে, এই ধরনের নিবন্ধন প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হওয়ায় তথ্য যাচাই ও এনআইডি জেনারেশন দ্রুত হয়।
নিবন্ধনকালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়। অংশগ্রহণকারীদের জন্য নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট যথাযথভাবে প্রস্তুত ছিল।