ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

কেরানীগঞ্জে বিস্ফোরণে উড়ে গেল মাদ্রাসার কক্ষ


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:৪৮ পিএম

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় অবস্থিত একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনের পশ্চিম পাশের দুটি কক্ষের দেয়াল বিস্ফোরণে উড়ে গেছে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন।

বিস্ফোরণের ফলে মাদ্রাসার একতলা ভবনের ওই দুটি কক্ষের দেয়াল সম্পূর্ণ ধসে পড়ে এবং ছাদ ও বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে। পাশের আরও দুটি কক্ষে ফাটল ধরেছে। বিস্ফোরণের সময় মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, ঘটনাস্থল থেকে ককটেল, দাহ্য পদার্থ এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ও ক্রাইম সিন দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের দুই ছেলে উমায়েত (১০) ও আবদুল্লাহ (৭) আহত হন। তাদের মধ্যে আছিয়া বেগম ও দুই সন্তানকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের সময় তারা একটি ভয়াবহ শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পাশের ভবনের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিস্ফোরণে আমাদের ভবনের কিছু অংশ ফেটে গেছে এবং ঘরের আসবাবপত্র ভেঙে পড়েছে।’

ভবন মালিক পারভীন বেগম জানান, তিন বছর ধরে তার বাড়ি ভাড়া নিয়ে মুফতি হারুন মাদ্রাসাটি পরিচালনা করতেন। হারুন মাদ্রাসায় মাঝে মাঝে আসতেন, কিন্তু মাদ্রাসার আড়ালে কী ঘটছিল তা তিনি বুঝতে পারেননি। পুলিশের উদ্ধার করা বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও রাসায়নিক দ্রব্য দেখে তিনি অবাক হয়েছেন।

মাদ্রাসায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতো, তবে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় মাদ্রাসা বন্ধ ছিল।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর