ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

কেরানীগঞ্জে বিস্ফোরণে উড়ে গেল মাদ্রাসার কক্ষ


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:৪৮ পিএম

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় অবস্থিত একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনের পশ্চিম পাশের দুটি কক্ষের দেয়াল বিস্ফোরণে উড়ে গেছে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন।

বিস্ফোরণের ফলে মাদ্রাসার একতলা ভবনের ওই দুটি কক্ষের দেয়াল সম্পূর্ণ ধসে পড়ে এবং ছাদ ও বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে। পাশের আরও দুটি কক্ষে ফাটল ধরেছে। বিস্ফোরণের সময় মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, ঘটনাস্থল থেকে ককটেল, দাহ্য পদার্থ এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ও ক্রাইম সিন দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের দুই ছেলে উমায়েত (১০) ও আবদুল্লাহ (৭) আহত হন। তাদের মধ্যে আছিয়া বেগম ও দুই সন্তানকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের সময় তারা একটি ভয়াবহ শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পাশের ভবনের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিস্ফোরণে আমাদের ভবনের কিছু অংশ ফেটে গেছে এবং ঘরের আসবাবপত্র ভেঙে পড়েছে।’

ভবন মালিক পারভীন বেগম জানান, তিন বছর ধরে তার বাড়ি ভাড়া নিয়ে মুফতি হারুন মাদ্রাসাটি পরিচালনা করতেন। হারুন মাদ্রাসায় মাঝে মাঝে আসতেন, কিন্তু মাদ্রাসার আড়ালে কী ঘটছিল তা তিনি বুঝতে পারেননি। পুলিশের উদ্ধার করা বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও রাসায়নিক দ্রব্য দেখে তিনি অবাক হয়েছেন।

মাদ্রাসায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতো, তবে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় মাদ্রাসা বন্ধ ছিল।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর