ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

ঠাকুরগাঁওয়ে রাতের আঁধারে মাজার ভাঙচুর


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৮:০৩ পিএম

ঠাকুরগাঁও শহরের বিখ্যাত হজরত বাবা শাহ সত্যপীরের মাজারে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ভাঙচুর করেছে। স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি অফিসের পাশের মাজারটির প্রধান ঘরের দরজা ও জানালা ভাঙা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মাজারের পাশের দুটি কবরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হজরত বাবা শাহ সত্যপীরের মাজার শতাধিক বছরের পুরনো। ভাঙচুরের ঘটনা জানাজানি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শনিবার সকালে মাজার এলাকায় স্থানীয় লোকজন ও ভক্তরা ভিড় জমায়।

মাজারের ভক্ত আবদুল আলীম হোসেন বলেন, “ছোটবেলা থেকেই মাজারটি দেখছি। মাজারে এমন কোনো কাজ হওয়া উচিত নয় যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়। কারা এই ভাঙচুর করেছে, তা বুঝতে পারছি না।”

মাজার কমিটির সভাপতি এনামুল হক জানান, দীর্ঘদিন ধরে শত শত ভক্ত এখানে এসে তাদের ধর্মীয় কার্যক্রম পালন করে আসছেন। মাজারকে কেন্দ্র করে বাজারের কোনো সমস্যা বা অভিযোগ ছিল না। তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন, মাজারে ভাঙচুরের পেছনে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এবং এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম বলেন, “মাজার ভাঙচুরের ঘটনায় ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের জড়িত থাকার সম্ভাবনা আছে।”

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, “মাজারে চুরি হয়নি, তবে ভাঙচুরের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।”

ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের সনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে। মাজারটি ঐতিহ্যবাহী এবং স্থানীয়দের জন্য একটি পবিত্র স্থান হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর