ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ অল্পের জন্য বাঁচলেন আন্তর্জাতিক নেতারা ৩৬ ঘণ্টা পর নিহত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে রাতের আঁধারে মাজার ভাঙচুর


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৮:০৩ পিএম

ঠাকুরগাঁও শহরের বিখ্যাত হজরত বাবা শাহ সত্যপীরের মাজারে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ভাঙচুর করেছে। স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি অফিসের পাশের মাজারটির প্রধান ঘরের দরজা ও জানালা ভাঙা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মাজারের পাশের দুটি কবরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হজরত বাবা শাহ সত্যপীরের মাজার শতাধিক বছরের পুরনো। ভাঙচুরের ঘটনা জানাজানি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শনিবার সকালে মাজার এলাকায় স্থানীয় লোকজন ও ভক্তরা ভিড় জমায়।

মাজারের ভক্ত আবদুল আলীম হোসেন বলেন, “ছোটবেলা থেকেই মাজারটি দেখছি। মাজারে এমন কোনো কাজ হওয়া উচিত নয় যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়। কারা এই ভাঙচুর করেছে, তা বুঝতে পারছি না।”

মাজার কমিটির সভাপতি এনামুল হক জানান, দীর্ঘদিন ধরে শত শত ভক্ত এখানে এসে তাদের ধর্মীয় কার্যক্রম পালন করে আসছেন। মাজারকে কেন্দ্র করে বাজারের কোনো সমস্যা বা অভিযোগ ছিল না। তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন, মাজারে ভাঙচুরের পেছনে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এবং এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম বলেন, “মাজার ভাঙচুরের ঘটনায় ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের জড়িত থাকার সম্ভাবনা আছে।”

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, “মাজারে চুরি হয়নি, তবে ভাঙচুরের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।”

ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের সনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে। মাজারটি ঐতিহ্যবাহী এবং স্থানীয়দের জন্য একটি পবিত্র স্থান হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর