ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবার: মীর শাহে আলম দিল্লিতে আজ ইন্ডিয়া জোটের মেগা সমাবেশ, জমায়েত হতে পারে লাখো মানুষ ট্রাম্পের হুমকির মুখে সেনা কমান্ডারদের বড় নির্দেশ মোজতবা খামেনির তৈরি পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করল সরকার টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেডে রণক্ষেত্র মিরপুর, চরম উত্তেজনা ধানখেতে মিললো অজ্ঞাতনামা নারী-পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে জার্মানিতে জেন জি’র তীব্র বিক্ষোভ কালিয়াকৈরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিক বিক্ষোভ দ্বিতীয় দিনের মতো মিরপুরে সড়ক অবরোধ, বন্ধ যান চলাচল সাইবার হামলার শিকার ডিএমপি নিউজ, ওয়েবসাইটে আপত্তিকর বার্তা

ঠাকুরগাঁওয়ে রাতের আঁধারে মাজার ভাঙচুর


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৮:০৩ পিএম

ঠাকুরগাঁও শহরের বিখ্যাত হজরত বাবা শাহ সত্যপীরের মাজারে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ভাঙচুর করেছে। স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি অফিসের পাশের মাজারটির প্রধান ঘরের দরজা ও জানালা ভাঙা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মাজারের পাশের দুটি কবরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হজরত বাবা শাহ সত্যপীরের মাজার শতাধিক বছরের পুরনো। ভাঙচুরের ঘটনা জানাজানি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শনিবার সকালে মাজার এলাকায় স্থানীয় লোকজন ও ভক্তরা ভিড় জমায়।

মাজারের ভক্ত আবদুল আলীম হোসেন বলেন, “ছোটবেলা থেকেই মাজারটি দেখছি। মাজারে এমন কোনো কাজ হওয়া উচিত নয় যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়। কারা এই ভাঙচুর করেছে, তা বুঝতে পারছি না।”

মাজার কমিটির সভাপতি এনামুল হক জানান, দীর্ঘদিন ধরে শত শত ভক্ত এখানে এসে তাদের ধর্মীয় কার্যক্রম পালন করে আসছেন। মাজারকে কেন্দ্র করে বাজারের কোনো সমস্যা বা অভিযোগ ছিল না। তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন, মাজারে ভাঙচুরের পেছনে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এবং এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম বলেন, “মাজার ভাঙচুরের ঘটনায় ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের জড়িত থাকার সম্ভাবনা আছে।”

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, “মাজারে চুরি হয়নি, তবে ভাঙচুরের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।”

ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের সনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে। মাজারটি ঐতিহ্যবাহী এবং স্থানীয়দের জন্য একটি পবিত্র স্থান হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর