ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ

নতুন দামে ১২ কেজি এলপি গ্যাস ১৩০৬ টাকা


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৪ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৪:৪৩ পিএম

জানুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। এতে ১২ কেজি এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ডিসেম্বরে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ২৫৩ টাকা। নতুন এই মূল্য আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।

রোববার নতুন মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন জানায়, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, সৌদি আরামকোর ঘোষিত প্রপেন ও বিউটেনের মাসিক চুক্তিমূল্য এবং ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে জানুয়ারি মাসের জন্য এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জানুয়ারিতে এলপি গ্যাসের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা ৪২ পয়সা।

এলপি গ্যাসের পাশাপাশি অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ছিল ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা।

ডিসেম্বর মাসে এলপি গ্যাসের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। একই সময়ে অটোগ্যাসের দাম ১ টাকা ৭৪ পয়সা বাড়িয়ে প্রতি লিটার ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা করা হয়। এক মাসের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ায় ভোক্তাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এলপি গ্যাস মূলত শহর ও গ্রামাঞ্চলের একটি বড় অংশের রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাস নেই, সেখানে এলপি গ্যাসই প্রধান ভরসা। ফলে দফায় দফায় মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে পড়ছে।

অন্যদিকে অটোগ্যাসের দাম বাড়ায় চাপ বাড়তে পারে পরিবহন খাতেও। অটোগ্যাসচালিত যানবাহন ব্যবহারকারীরা মনে করছেন, জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের ওপরই প্রভাব ফেলবে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসেই আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপি গ্যাসের দাম সমন্বয় করা হয়। কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি একটি স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয় পদ্ধতি, যেখানে আন্তর্জাতিক চুক্তিমূল্য বাড়লে দেশের বাজারেও দাম বাড়ে।

তবে ভোক্তারা বলছেন, মাসে মাসে দাম বাড়ার ফলে এলপি গ্যাস ব্যবহার ক্রমেই ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। অনেকেই আশা করছেন, ভবিষ্যতে দাম নির্ধারণে ভোক্তাস্বার্থ আরও বেশি গুরুত্ব পাবে।

সব মিলিয়ে জানুয়ারির শুরুতেই এলপি গ্যাস ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের ব্যয়ের চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনলাইন রিপোর্টার

ঢাকাটুডে / আরজে

আকাশজমিন / আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর