ঈশ্বরদী প্রতিনিধি
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক সফল সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম সরদার বলেছেন, “আমি মনোনয়ন না চাওয়া সত্বেও বেগম খালেদা জিয়া মনোনয়ন দিয়ে আমাকে এমপি বানিয়েছেন এবং তাঁর সংস্পর্শে রেখে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন।”
আজ (৫ জানুয়ারি) দুপুরে পাকশীর পাঁচ শহীদের মোড়ে ‘মা, মাটি ও মানুষের নেত্রী’, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রেরণা ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফেরাত কামনায় আয়োজিত স্মৃতিচারণ, দোয়া মাহফিল ও শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “সেদিন আমাকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পরাজিত করেছে, কিন্তু ক্ষতি আমার হয়নি, ক্ষতি হয়েছে আপনাদের।” তিনি আরও বলেন, “কুড়াল প্রতীক নিয়ে যারা সেদিন আমার বিরোধিতা করেছিল, তাদের আমি ক্ষমা করেছি, তাদের ইমানের শক্তি ফিরে আসুক—এটাই আমি চাই।” তিনি উল্লেখ করেন, “আমি যদি মন্ত্রী হতাম, ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়ার মানুষের অনেক উপকার হতো, এমনকি পুরো পাবনা জেলাও সারা পেত।”
নিজের নির্বাচনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও বিরোধিতাকারীদের বিষয়ে সিরাজুল সরদার বলেন, “আমার কোনো হিংসা নেই, আমি তাদের জন্য আল্লাহর বিচার কামনা করি।”
পাকশী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কবীর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেলশ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সভাপতি আহসান হাবিব, বিএনপি নেতা আব্দুস সোবহান, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ডেপুটি কমান্ডার রফিকুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাকিউল ইসলাম, আক্তার মল্লিক, এটিএম রুহুল আমিন বাবলু, আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস, রঞ্জু আহমেদ, মোহাম্মদ আলী কাজল, ফজলুর রহমান মাস্টার, হিরোক সরদার, শ্রমিক দলের সভাপতি সোহেল রানা, পিএনএল আবুল কালাম, আলহাজ্ব আজি হক, মহিলা দলের সভাপতি সেলিনা ইসলাম, ইউপি সদস্য পলি বেগম, যুবদল নেতা মাহফুজুর রহমান মঞ্জু, শিশির আহমেদসহ বিএনপি পরিবারের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও এলাকার সুধীবৃন্দ। দোয়া পরিচালনা করেন পাকশী বাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
সিরাজুল সরদার বলেন, “জিয়ারউর রহমান একটি প্রতিষ্ঠান, একটি মতবাদ। যারা এই মতবাদের বাইরে যাবে, তাদের ছাড় দেয়া হবে না।” তিনি আরও বলেন, “যদি কেউ আমার উপর অবিচার করে, আমি আল্লাহর হাতে বিষয়টি ছেড়ে দিয়ে তাদের শুভবুদ্ধির উদয় কামনা করব।”