বিজিবি অধিনায়ক জানান, রাতে জহুরপুরটেক সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি পর্যায়ের পতাকা বৈঠকের পর রবিউলের মরদেহ ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় দুই দেশের বিজিবি ও বিএসএফের সদস্য, পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, বিএসএফের সঙ্গে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবারই বিএসএফ দাবি করেছে, হঠাৎ খিঁচুনি হওয়ায় রবিউল অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।
প্রসঙ্গত, গত রোববার (৪ জানুয়ারি) ভোররাতে সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের জহুরপুরটেক সীমান্ত দিয়ে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার নুরপুর এলাকায় প্রবেশ করে। রঘুনাথগঞ্জ থানার বিএসএফের পাতলা টোলা সাব-ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলে অন্যরা পালাতে সক্ষম হলেও রবিউল বিএসএফের হাতে ধরা পড়েন।
আটকের পর রবিউলের মৃত্যু সংক্রান্ত খবর ভোররাতে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিকেলে পরিবারের পক্ষ থেকে বিজিবিতে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রথম দফার পতাকা বৈঠকে মৃত্যুর তথ্য স্বীকার করে বিএসএফ। সোমবার রাতে দ্বিতীয় দফার পতাকা বৈঠকে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
পরিবার এবং স্থানীয়রা মরদেহের হস্তান্তরের পর শোক প্রকাশ করেছেন। নিহত যুবকের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং দায়িত্ব নির্ধারণে বিজিবি এবং সীমান্ত প্রশাসন তদন্ত করছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।