ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৪:০৪ পিএম

হাড়কাঁপানো শীতের দাপটে কাঁপছে রাজশাহী। চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। কুয়াশার ঘনত্ব খুব বেশি না থাকলেও হিমেল বাতাসে শীতের প্রকোপ তীব্র আকার ধারণ করেছে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান ছিল মাত্র সাড়ে ৮ ডিগ্রি। এই কম ব্যবধান এবং রাতের তাপমাত্রা দ্রুত নেমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

আজ ভোর ৬টা ৪৭ মিনিটে সূর্যোদয়ের কথা থাকলেও সকাল ১০টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। আকাশে কুয়াশা তুলনামূলক কম থাকলেও বাতাসে ছিল তীব্র শীতলতা। আবহাওয়া অফিসের হিসাবে সকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল শতভাগ। ফলে কনকনে ঠান্ডা বাতাস শরীরে ছড়িয়ে দিচ্ছে শীতের তীব্র শিহরণ।

শীতের কারণে রাজশাহীতে জনজীবন অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। শহর ও গ্রামের চিত্র প্রায় একই। ভোর সকাল থেকেই মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কম দেখা গেছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি ভুগছেন ঠান্ডাজনিত সমস্যায়।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ। ঠান্ডা উপেক্ষা করেই তাদের কাজে বের হতে হচ্ছে। রিকশাচালক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, সকাল ও বিকেলের ঠান্ডায় হাত জমে যায়। কিন্তু কাজ না করলে সংসার চলে না। এখনো মাঘ মাস আসেনি, তার আগেই এমন শীত পড়ছে। রাস্তায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

শীতের কারণে অনেক মানুষ আগুন জ্বালিয়ে বা গরম কাপড় পরে নিজেদের উষ্ণ রাখার চেষ্টা করছেন। ফুটপাতের দোকানগুলোতে শীতবস্ত্র বিক্রিও বেড়েছে। দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের জন্য শীতবস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন জানান, আজ সকাল ৬টায় রাজশাহীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ শতভাগ থাকায় অনুভূত তাপমাত্রা আরও কম মনে হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও তিনি জানান।

শীতের এই পরিস্থিতিতে বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর