ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

সাতক্ষীরা সুন্দরবনে ২৪৬ অবৈধ হরিণ শিকারের ফাঁদ উদ্ধার


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৭:৩০ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী রক্ষায় বন বিভাগের বিশেষ অভিযানে ২৪৬টি অবৈধ হরিণ শিকারের ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কলাগাছিয়া, চুনকুড়ি ও মুন্সিগঞ্জ বন টহল ফাঁড়ির বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব ফাঁদ জব্দ করা হয়। বন বিভাগ থেকে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে পাতা দড়ি দিয়ে তৈরি এসব অবৈধ ফাঁদ উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযান শুরুর আগেই শিকারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধারকৃত ফাঁদের মধ্যে কলাগাছিয়া বন টহল ফাঁড়ির ফুলখালী খাল এলাকা থেকে ২০০টি, চুনকুড়ি বন টহল ফাঁড়ির চালতেবাড়ি খাল এলাকা থেকে ১৭টি এবং মুন্সিগঞ্জ বন টহল ফাঁড়ির ভুতোশিং ও কলুখালী এলাকা থেকে ২৯টি ফাঁদ জব্দ করা হয়। মোট উদ্ধারকৃত ফাঁদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৬টি।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসসি এফ) মো. মশিউর রহমান বলেন, “উদ্ধারকৃত ফাঁদগুলো ধ্বংস করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হয়েছে। সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী বিশেষ করে হরিণ রক্ষায় নিয়মিত টহল ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। অবৈধ শিকার বন্ধে বন বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”

এর আগে ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি মাহমুদা নদীর বাওনে বারামখালী খাল এলাকা থেকে নৌকার ভিতরে ফাঁদ বহনের অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়। ৬ জানুয়ারি কেয়াখালী (নিষিদ্ধ খাল) এলাকা থেকে ৬০টি হরিণ শিকারের ফাঁদ এবং একটি হরিণ ফাঁদে আটকে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

গত বছরের নভেম্বর ও অক্টোবর মাসে বন বিভাগের ধারাবাহিক অভিযানে মরগাং বনাঞ্চল থেকে ১৬০টি, মুন্সিগঞ্জ বনাঞ্চল থেকে ৪৫টি এবং কোবাদক ফরেস্ট স্টেশনের আওতায় সাপখালী খাল এলাকা থেকে ৬০টি হরিণ শিকারের ফাঁদ উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে হরিণ শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু কিছু অসাধু চক্র গোপনে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকারে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর