উদ্ধারকৃত ফাঁদের মধ্যে কলাগাছিয়া বন টহল ফাঁড়ির ফুলখালী খাল এলাকা থেকে ২০০টি, চুনকুড়ি বন টহল ফাঁড়ির চালতেবাড়ি খাল এলাকা থেকে ১৭টি এবং মুন্সিগঞ্জ বন টহল ফাঁড়ির ভুতোশিং ও কলুখালী এলাকা থেকে ২৯টি ফাঁদ জব্দ করা হয়। মোট উদ্ধারকৃত ফাঁদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৬টি।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসসি এফ) মো. মশিউর রহমান বলেন, “উদ্ধারকৃত ফাঁদগুলো ধ্বংস করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হয়েছে। সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী বিশেষ করে হরিণ রক্ষায় নিয়মিত টহল ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। অবৈধ শিকার বন্ধে বন বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”
এর আগে ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি মাহমুদা নদীর বাওনে বারামখালী খাল এলাকা থেকে নৌকার ভিতরে ফাঁদ বহনের অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়। ৬ জানুয়ারি কেয়াখালী (নিষিদ্ধ খাল) এলাকা থেকে ৬০টি হরিণ শিকারের ফাঁদ এবং একটি হরিণ ফাঁদে আটকে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গত বছরের নভেম্বর ও অক্টোবর মাসে বন বিভাগের ধারাবাহিক অভিযানে মরগাং বনাঞ্চল থেকে ১৬০টি, মুন্সিগঞ্জ বনাঞ্চল থেকে ৪৫টি এবং কোবাদক ফরেস্ট স্টেশনের আওতায় সাপখালী খাল এলাকা থেকে ৬০টি হরিণ শিকারের ফাঁদ উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে হরিণ শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু কিছু অসাধু চক্র গোপনে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকারে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আকাশজমিন /
আরআর