ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

অফিস সময়েই হাসপাতালে গানের আসর!


  • আপলোড সময় : রবিবার ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৬:২৭ পিএম

নড়াইল প্রতিনিধি:

নড়াইলের কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত নার্সরা অফিস সময়ের মধ্যে রোগীর সেবা বাদ দিয়ে গানের আসরে মগ্ন ছিলেন। বৃহস্পতিবার সরেজমিনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে দেখা গেছে, প্রধান সহকারি বড় বাবু গনেশ চন্দ্র মন্ডল নার্সদের ডিউটি রুমে গান গাইয়ে আনন্দে মত্ত ছিলেন। তিনি মোবাইল ফোনে গান প্লে করে নিজেও গান গাইছিলেন, আর নার্সরা ও রোগীর স্বজনরা তা শোনার জন্য উপস্থিত ছিলেন।

অফিস সময়ের মধ্যে হাসপাতালের ডিউটি রুমে এমন কর্মকাণ্ডের কারণে সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকেন্দ্রে গানের আসর অনুষ্ঠিত হওয়া নীতিগতভাবে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছেন অনেকেই। হাসপাতাল একটি সেবার স্থান, বিনোদনের স্থান নয়, তাই এই ধরনের আচরণ নিয়ে কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

পূর্ব কালিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোল্যা শাহীদ আলী বলেন, “হাসপাতালে গানের আসর হওয়া উচিত নয়। এটি রোগীদের জন্যও মানসিক চাপের কারণ হতে পারে। এই ধরনের অবহেলার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।”


বড় বাবু গনেশ চন্দ্র মন্ডল যখন এ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হয়, প্রথমে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে তিনি ভুল স্বীকার করে বলেন, “আমি এমন আচরণ করিনি, কিন্তু যদি তা হয়ে থাকে তাহলে আমি দুঃখিত।”

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মাদ সোয়াইব জানান, বিষয়টি তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। “এটি তার প্রথম ভুল, ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড পুনরায় ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়রা আশা করছেন, হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের অবহেলা বন্ধ হবে এবং রোগীদের জন্য পরিবেশ আরও উন্নত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ হবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর