অফিস সময়ের মধ্যে হাসপাতালের ডিউটি রুমে এমন কর্মকাণ্ডের কারণে সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকেন্দ্রে গানের আসর অনুষ্ঠিত হওয়া নীতিগতভাবে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছেন অনেকেই। হাসপাতাল একটি সেবার স্থান, বিনোদনের স্থান নয়, তাই এই ধরনের আচরণ নিয়ে কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
পূর্ব কালিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোল্যা শাহীদ আলী বলেন, “হাসপাতালে গানের আসর হওয়া উচিত নয়। এটি রোগীদের জন্যও মানসিক চাপের কারণ হতে পারে। এই ধরনের অবহেলার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।”
বড় বাবু গনেশ চন্দ্র মন্ডল যখন এ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হয়, প্রথমে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে তিনি ভুল স্বীকার করে বলেন, “আমি এমন আচরণ করিনি, কিন্তু যদি তা হয়ে থাকে তাহলে আমি দুঃখিত।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মাদ সোয়াইব জানান, বিষয়টি তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। “এটি তার প্রথম ভুল, ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড পুনরায় ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়রা আশা করছেন, হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের অবহেলা বন্ধ হবে এবং রোগীদের জন্য পরিবেশ আরও উন্নত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ হবে।
আকাশজমিন / আরআর