ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিক বিক্ষোভ দ্বিতীয় দিনের মতো মিরপুরে সড়ক অবরোধ, বন্ধ যান চলাচল সাইবার হামলার শিকার ডিএমপি নিউজ, ওয়েবসাইটে আপত্তিকর বার্তা খুলনায় রাতের আঁধারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা: এলাকায় আতঙ্ক রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজ গ্রেপ্তার দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসংগঠকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রী রুট নিয়ে অসন্তোষ সত্ত্বেও আজ চালু হচ্ছে কোম্পানিভিত্তিক বাস শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ নেতানিয়াহুর পতনে আরবদের সঙ্গে জোট গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ সাজেকে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি: ফের ১২ ঘণ্টার নতুন অবরোধ ঘোষণা

তারেক রহমানের আয়ের উৎস ও ব্যয় নিয়ে হাসনাতের প্রশ্ন


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৩২ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আয়ের উৎস, ব্যক্তিগত ব্যয় এবং নির্বাচনি প্রচারণার অর্থায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতের নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ ভিডিও বার্তায় তিনি এসব উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন। বর্তমানে তিনি কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং তার বিশাল শোডাউন ও নিরাপত্তার জন্য যে বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তা জনগণের জানা উচিত। অথচ এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে না।” তিনি আরও বলেন, ছাত্রনেতাদের নিরাপত্তা নিয়ে আগে আলোচনা চললেও একপক্ষীয় সমালোচনা দেখা গেছে। কিন্তু তারেক রহমানের বিশাল গাড়ি বহর, তেলের ব্যয় এবং নিরাপত্তার খরচ নিয়ে কেন প্রশ্ন ওঠে না, তা জনগণ জানতে চায়।

ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের নির্বাচনি মিডিয়া কমিটিতে ৪৯ জন পেশাদার সাংবাদিক অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও কঠোর সমালোচনা করেন হাসনাত। তিনি বলেন, “সাংবাদিকরা যখন কোনো দলের প্যাডে নাম লেখাচ্ছেন, তখন তাদের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় না কি? ওই ৪৯ জন সাংবাদিক কি বিএনপির কর্মী হিসেবে কাজ করবেন, নাকি নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক হিসেবে? তারা নির্বাচন কমিশন থেকে কার্ড নেবেন নাকি বিএনপির কার্ড নিয়ে কাজ করবেন—এটি স্পষ্ট করা জরুরি।” তিনি এই পরিস্থিতিকে সাংবাদিকতার জন্য নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিগত সরকারের সুবিধাভোগী কিছু সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “যারা ১৭ বছর ধরে তারেক রহমানকে ভারতের চর বা পলাতক ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে ভিলেন বানানোর চেষ্টা করেছে, তারা এখন আবার তার প্রিয়পাত্র হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। জুলাই বিপ্লবের সক্রিয় কর্মীদের চরিত্র হননের চেষ্টা যারা করেছিল, তারা এখন নতুন করে কার্ড বানানোর উদ্যোগ নিয়েছে।”

হাসনাত সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “গত দেড় বছরে আমাদের নিয়ে যেভাবে নানা প্রশ্ন তোলা হয়েছে, ঠিক একইভাবে তারেক রহমানের অর্থের উৎস ও ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন রাখুন। যদি সিলেক্টিভ বা খণ্ডিত প্রশ্ন করা হয়, তাহলে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।” তিনি স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

হাসনাতের বক্তব্যে নির্বাচনী প্রচারণা ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের স্বচ্ছতার বিষয়গুলো প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। তিনি জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান, যেন রাজনীতির সঙ্গে জড়িত অর্থ ও সম্পদের উৎসে স্পষ্টতা আসে।

বিভিন্ন বিশ্লেষক মনে করছেন, রাজনৈতিক দলের নেতাদের ব্যক্তিগত খরচ, নিরাপত্তা ব্যয় এবং নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়ন নিয়ে স্বচ্ছতা জনগণের বিশ্বাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর