ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

গোপালগঞ্জে শ্রমিক নেতা বাসু হত্যায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:২৮ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

গোপালগঞ্জে দশ বছর আগে নিহত শ্রমিক নেতা সাইদুর রহমান বাসুর হত্যা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১। একই সঙ্গে চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুর রশীদ মোল্লা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— বুলবুল শেখ, হেদায়েত শেখ, তফসির শেখ, কিবরিয়া আল কাজী এবং ঝন্টু শেখ। মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে বাসু মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কুয়াডাঙ্গা অফিস থেকে মৌলভীপাড়ার বাসায় ফেরার পথে একদল হামলাকারীর দ্বারা কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত হন। পরদিন তিনি ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

হামলার ঘটনার পর ২০১৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বাসুর ছোট ভাই জাসু শেখ গোপালগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে দেখা যায়, ওই ঘটনায় জড়িত ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গোপালগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক হযরত আলী ২০১৬ সালের ১২ জুলাই।

২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট গোপালগঞ্জ দায়রা জজ মো. দলিল উদ্দিন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। পরবর্তী সময়ে, মামলাটি বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এ পাঠানো হয়।

এই মামলায় বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা ছাড়াও চারজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড, ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুর রশীদ মোল্লা জানিয়েছেন, এই রায় হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি যুক্ত সকলের মধ্যে বিচার প্রতিষ্ঠা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

রায় ঘোষণার মাধ্যমে শ্রমিক নেতার হত্যার ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ ন্যায্য বিচার সম্পন্ন হলো। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই রায় শ্রমিক সংগঠন ও সাধারণ জনগণের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থা বাড়াবে। মামলার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা দ্রুত বিচার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তাকেও পুনরায়浮র্ন করেছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর