ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

নড়াইলে শিক্ষক মারধর ও বিদ্যালয় ফাঁকির অভিযোগে মাউশির তদন্ত নির্দেশ


  • আপলোড সময় : শনিবার ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৯:০৫ পিএম

নড়াইল প্রতিনিধি:

নড়াইলের কালিয়া প্যারী শংকর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকর্মীদের মারধর, বিদ্যালয় ফাঁকি দেওয়া এবং ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কর্তৃক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৩১ জানুয়ারি জেলা শিক্ষা অফিসার মো: মহীউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গত ২৭ জানুয়ারি বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের লিখিত অভিযোগ সংগ্রহ করা হয়েছে। দুই এক দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মাউশিতে জমা দেয়া হবে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সহকারী প্রধান শিক্ষক শেখ সাহিদুর ইসলাম প্রায় সময় শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। গত ২৩ অক্টোবর সকালে সহকারী শিক্ষক প্রশান্ত বিশ্বাস ও চৈতালী বিশ্বাসকে তিনি মারধর করেন। ওই ঘটনায় চৈতালী বিশ্বাসের কলাপের ডান পাশে রক্তজমাট চোট লেগেছে। তিনি প্রথমে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে খুলনায় সিটিস্ক্যান করান এবং এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সহকারী প্রধান শিক্ষক সাহিদুর ইসলাম তার ছোট ভাই সহকারী শিক্ষক শেখ তকিবুর রহমানের সঙ্গে বিদ্যালয় ফাঁকি দিয়ে জমি বেচাকেনা ও মাপের কাজে সময় কাটান। স্থানীয় এলাকায় তাদের দাপট থাকার কারণে বেপরোয়া আচরণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক দীপ্তি রানী বৈরাগী জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমার কারণে শিক্ষার পরিবেশ প্রভাবিত হচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে প্রায় ৫০০ জনে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ১৫ বছর আগে ছিল ৭০০ থেকে ৮০০ জন।

এ ঘটনার বিষয়ে প্রধান শিক্ষক দীপ্তি রানী বৈরাগী বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ায় শিক্ষক সমাজ ও সচেতন মহলে ব্যাপক নিন্দার ঝড় উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর