বেশি ভোট পান এমন দুই জনপ্রিয় প্রার্থী হলেন অলি উল্লাহ ও নজরুল ইসলাম মোল্লা। তারা আমতলী, তালতলী ও বরগুনা সদর উপজেলায় ৫ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৯ জন ভোটারকে নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ নির্বাচনে প্রধান লড়াই দেখানো হচ্ছে আমতলী ও তালতলী উপজেলার ২ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৮ ভোটারের মন জয় করার জন্য।
জানাগেছে, বরগুনা সদর উপজেলার কেওরাবুনিয়া গ্রামের পীর ও সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে খ্যাত মাওলানা আব্দুর রশিদ ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত চারবার সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনবার হেরে যান। তার মধ্যে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ রয়েছে। ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে পরাজিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয় লাভ করতে পারেননি।
মাওলানা আব্দুর রশিদ ২০১৮ সালে প্রয়াত হন। তার ছেলে মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলি উল্লাহ সেই আসনে বাবার হার মেনে নিতে পারেননি। তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, কিন্তু জয় পাননি।
বর্তমানে দুজন জনপ্রিয় প্রার্থীই মাঠ ঘাট চষে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন। অলি উল্লাহর পুঁজি তার বাবার রেখে যাওয়া ভক্তকুল, দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটার। আর নজরুল ইসলামের পুঁজি দলীয় সংগঠক ও ভোটার।
বরগুনা-১ আসনে মোট চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মুল লড়াই চলে দুই জনপ্রিয় প্রার্থীর মধ্যে। এর ফলে নির্বাচনী বাজার এখন উত্তপ্ত।