মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। নির্বাচনী প্রচারণায় তাঁর পক্ষে বিশেষভাবে সক্রিয় সময় পার করছেন স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী। তিনি নারীদের উৎসাহিত করছেন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ‘ধানের শীষ’ মার্কায় ভোট দিতে। মোহনগঞ্জ, মদন ও খালিয়াজুরীর বিভিন্ন ইউনিয়নে চলমান গণসংযোগে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করে তিনি বাবরের নির্বাচিত হওয়ার পরে সকল সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাহমিনা জামান শ্রাবণী বলেন, ‘‘আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আবার আমার স্বামী আপনাদের কাছে ফিরে এসেছেন। আমি দোয়া ও ‘ধানের শীষে’ ভোট চাই। ১৭ বছর কারা নির্যাতনের পর মানুষ তাঁকে আরও বেশি আপন করে নিয়েছে।’’ তিনি উল্লেখ করেন, এই হাওরাঞ্চলে ধানের শীষ মানেই বাবর, বাবর মানেই ধানের শীষ। তিনি এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয় এবং মানুষের ভালোবাসায় আবৃত। তাহমিনা জামান শ্রাবণী স্বামীর জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করার পর নিজে আসন থেকে সরে যান। বাবর ১৯৯১ সাল থেকে নেত্রকোনা-৪ আসনে বিভিন্ন বারের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৭ সালে ১/১১ সরকারের সময়ে গ্রেপ্তার হন এবং পরবর্তীতে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় বিভিন্ন দণ্ডিত হন।
নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। নির্বাচনী প্রচারণায় তাঁর পক্ষে বিশেষভাবে সক্রিয় সময় পার করছেন স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী। তিনি নারীদের উৎসাহিত করছেন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ‘ধানের শীষ’ মার্কায় ভোট দিতে। মোহনগঞ্জ, মদন ও খালিয়াজুরীর বিভিন্ন ইউনিয়নে চলমান গণসংযোগে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করে তিনি বাবরের নির্বাচিত হওয়ার পরে সকল সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তাহমিনা জামান শ্রাবণী বলেন, ‘‘আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আবার আমার স্বামী আপনাদের কাছে ফিরে এসেছেন। আমি দোয়া ও ‘ধানের শীষে’ ভোট চাই। ১৭ বছর কারা নির্যাতনের পর মানুষ তাঁকে আরও বেশি আপন করে নিয়েছে।’’ তিনি উল্লেখ করেন, এই হাওরাঞ্চলে ধানের শীষ মানেই বাবর, বাবর মানেই ধানের শীষ। তিনি এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয় এবং মানুষের ভালোবাসায় আবৃত।
তাহমিনা জামান শ্রাবণী স্বামীর জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করার পর নিজে আসন থেকে সরে যান। বাবর ১৯৯১ সাল থেকে নেত্রকোনা-৪ আসনে বিভিন্ন বারের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৭ সালে ১/১১ সরকারের সময়ে গ্রেপ্তার হন এবং পরবর্তীতে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় বিভিন্ন দণ্ডিত হন।