ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের পদক্ষেপে ৮ম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৭:৫৭ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে একটি ৮ম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। আখড়াখোলা মুকুন্দপুর আলিম মাদ্রাসার ওই ছাত্রীর বাল্যবিবাহ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সহায়তায় প্রতিরোধ করা হয়।

জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ আফরোজা আক্তার বাল্যবিবাহের গোপন খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অর্ণব দত্তকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পরে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর উপ-পরিচালক নাজমুন নাহার প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরাকে সমন্বয়ক করে একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠান।

টিমের সদস্যরা সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিশু সুরক্ষাকর্মী বাসিয়ার রহমান, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল্লাহ, গ্রামপুলিশ মনিরুজ্জামান, এবং তথ্য উদ্যোক্তা আলমগীর ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাল্যবিবাহের সত্যতা পান। তারা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করে আইনানুগ বিধান অনুসারে বাল্যবিবাহ স্থগিত করেন।

জানানো হয়, সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের কাজিরহাট ছোট কলসি গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিবারের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ ঠিক হয়েছিল। অনুষ্ঠানে স্থানীয় ও আত্মীয়স্বজন উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনিক টিম স্থানীয়দের দেশের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ ও অন্যান্য বিধান সম্পর্কে অবহিত করলে তারা ভুল স্বীকার করেন এবং ছাত্রীর মা ফতেমা খাতুন মুচলেকা দিয়ে বাল্যবিবাহ স্থগিত করেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, মেয়েটি ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া যাবে না এবং তার পড়ালেখা অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্টরা সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং শিশু ও নারী নির্যাতন বন্ধে এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর