ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,  ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-৮ থেকে ঢাকা-১৭

রাজধানীর আলোচিত আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:১১ এএম

রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি এবং এনসিপি দলের প্রধানরা। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের দলীয় প্রধান ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদকও ঢাকায় অংশগ্রহণ করছেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭, জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক ঢাকা-১৩ এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ঢাকা-১২ আসনে নির্বাচন করছেন।

দলীয় প্রধানদের বাইরে ঢাকা-৮, ঢাকা-৯ ও ঢাকা-১৪ আসনও নির্বাচনী প্রচারণার সময় আলোচিত ছিল। এই আসনের প্রার্থীদের কার্যক্রম দেশব্যাপী সাড়া ফেলেছে।

ঢাকা-৮

বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ দলীয় জামায়াত জোটের নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। এছাড়া মডেল মেঘলা আলমসহ আরও কয়েকজন প্রার্থী এখানে অংশগ্রহণ করছেন। স্থানীয়দের মতে, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। তবে মির্জা আব্বাস ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে এগিয়ে আছেন।

ঢাকা-৯

রাজধানীর সবুজবাগ, মতিঝিল, ডেমরা ও মান্ডা থানার ভোটারদের মধ্যে এই আসনের প্রচারণা সবচেয়ে সুন্দর ও সাড়া জাগানো হয়েছে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী: বিএনপি হাবিবুর রশিদ হাবিব, স্বতন্ত্র ডা. তাসনিম জারা, ১১ দলীয় জামায়াত জোটের এনসিপির মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া রাসিন।

ঢাকা-১১

১১ দলীয় জামায়াত জোটের এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি প্রার্থী ড. এমএ কাইয়ুম। শেষ মুহূর্তে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছিল। হাইকোর্ট রিট খারিজ করে, তাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত।

ঢাকা-১৩

এই আসনে নয় প্রার্থী এক মঞ্চে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা: বিএনপি ববি হাজ্জাজ, খেলাফতে মজলিসের মামুনুল হক। এছাড়া খালেকুজ্জামান, মিজানুর রহমান, শাহরিয়ার ইফতেখার, ফাতেমা আক্তার মুনিয়া, মো. শাহাবুদ্দিন, শেখ মো. রবিউল ইসলাম ও সোহেল রানা অংশগ্রহণ করছেন। মূল লড়াই হবে ববি হাজ্জাজ ও মামুনুল হকের মধ্যে।

ঢাকা-১৪

বিএনপি প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি এবং জামায়াত প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান দুজনই ভোটারদের কাছে জনপ্রিয়। সম্প্রতি তারা একসঙ্গে গণভবন পরিদর্শন করেছেন। জয়ী হবেন যিনি, তার সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।

ঢাকা-১৫

জামায়াতের শফিকুর রহমান ও বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এই আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। মিরপুর ও কাফরুল এলাকায় লড়াই ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে চাঙ্গাভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ঢাকা-১৭

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৫, ১৮, ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। অভিজাত এলাকা যেমন আছে, তেমনি বস্তি এলাকার ভোটারও। মোট ১২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখানে প্রার্থী হওয়ায় সারাদেশের নজর। ১১ দলীয় জামায়াত জোটের প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। নির্বাচনের মাত্র ১২ ঘণ্টা বাকি থাকতে চার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর