সদ্যগঠিত নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নতুন সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন সরকারের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনের জন্য উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টাদের মধ্যে পাঁচজনকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় এবং পাঁচজনকে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) শামসুল ইসলাম, জাহেদ উর রহমান, মাহাদি আমিন এবং রেহান আসিফ আসাদকে।
নতুন সরকারের উপদেষ্টা নিয়োগের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার গঠনের পরপরই উপদেষ্টা নিয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নীতিগত সহায়তা, সমন্বয় এবং কার্যক্রম বাস্তবায়নে গতি আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিয়োগের ফলে সরকার নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আরও শক্তিশালী সহায়তা পাবে। পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ক্ষেত্রেও এই নিয়োগ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে উপদেষ্টাদের দায়িত্ব বা কোন কোন খাতে তারা কাজ করবেন—সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি। তবে সরকারের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, উপদেষ্টাদের অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও প্রশাসনিক দক্ষতা বিবেচনা করেই তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নতুন সরকার গঠনের পর দ্রুত সময়ে উপদেষ্টা নিয়োগের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এবং জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ইস্যু মোকাবিলায় এই উপদেষ্টারা প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করবেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নতুন সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।