ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন যমুনায় উঠছেন তারেক রহমান


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৩৫ পিএম

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাতেই নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উঠছেন। সরকারের প্রধানের নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াত সুবিধার্থে রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত যমুনা সরকারি বাসভবন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এদিকে, সরকারি আবাসন পরিদপ্তর নতুন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দ দেওয়ার কাজ শেষ করেছে।

যমুনায় বর্তমানে সদ্যবিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস থাকছেন। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি যমুনা ছাড়বেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসার কিছু সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর তিনি যমুনায় উঠবেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন জাতীয় সংসদ ভবন ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় দেখা হয়েছিল। তবে সময়স্বল্পতা ও নিরাপত্তার কারণে এই এলাকা বিবেচনা করা হয়নি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে নিজস্ব বাসায় থাকছেন এবং সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাতায়াত করছেন।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, চলতি রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতরে ইফতার ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান যমুনায় করার পরিকল্পনা রয়েছে। যমুনার আয়তন প্রায় সোয়া তিন একর। পাশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলোবাড়ি সাবেক প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করছিল। উপদেষ্টা যমুনা ছাড়লে এই বাংলোবাড়িগুলো প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য বরাদ্দ থাকবে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ছিল গণভবন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গণভবনে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর হয়। এরপর গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার কাজ শুরু হয়, তাই প্রধানমন্ত্রীর থাকার সুযোগ নেই।

নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কোথায় থাকবেন, তা নিয়ে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছিল। কমিটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও হেয়ার রোডের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলোবাড়িকে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের জন্য উপযুক্ত বলে সুপারিশ করেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান মিন্টো রোডের ৩৩ নম্বর বাংলোবাড়িতেই থাকবেন। সরকারি আবাসন পরিদপ্তর সূত্র জানায়, মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীরা বাসায় উঠতে কিছুটা সময় লাগবে, কিছু সংস্কার কাজ শেষে ঈদুল ফিতরের পর তারা নতুন বাসায় উঠবেন।

বাসা বরাদ্দের তালিকা অনুযায়ী: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৩৫ হেয়ার রোড, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৪ বেইলি রোড, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ ৫ হেয়ার রোড, সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন ২৫ বেইলি রোড, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ৭ মিন্টো রোড, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ২ মিন্টো রোড, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ৫ মিন্টো রোড, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ১ হেয়ার রোড, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী ৬ হেয়ার রোডে।

অন্যান্য মন্ত্রীরা হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, বেইলি রোড ও গুলশান এলাকার বাংলোবাড়ি ও মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টে অবস্থান করবেন। প্রতিটি ভবনে ১০–৩০টি ফ্ল্যাট রয়েছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর