শনিবার সকালে ইরানে আকস্মিকভাবে হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। সূত্রগুলোর দাবি, হামলার শুরুতেই ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাহেদ এবং আইআরজিসি প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর প্রাণ হারান। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এর আগে ইসরায়েল দাবি করেছিল, তাদের অনুসন্ধানে জানা গেছে যে বিপ্লবী গার্ড প্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছাড়াও ইরানের গোয়েন্দা শাখার প্রধানও নিহত হয়েছেন। যদিও এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শনিবার সকালের এই হামলায় ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ একটি সূত্রের বরাতে দাবি করেছে, খামেনি মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। তবে এ দাবি সম্পর্কেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি এসব তথ্য সত্য প্রমাণিত হয়, তবে এটি ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
হামলার পরপরই ইরানের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সম্ভাব্য পাল্টা পদক্ষেপ ও আঞ্চলিক সংঘাতের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকেও এখনো বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। ফলে নিহতদের বিষয়ে চূড়ান্ত নিশ্চিত তথ্য পেতে আরও সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।