অনলাইন রিপোর্টার
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, রমজানের পরই সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার (১ মার্চ) তিনি রিপোটার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “স্থানীয় সরকার পর্যায়ে নির্বাচন শিগগিরই হবে। রমজানের পরেই সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একের পর এক বিভিন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে এবং এটি সারা বছর ধরে চলতে থাকবে।”
কমিশনার মাছউদ আরও বলেন, নির্বাচন পরিচালনার জন্য সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং ভোটের স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্থানীয় পর্যায়ের এই নির্বাচন জনগণকে অংশগ্রহণমূলক ও সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতা দেবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গেও কমিশনার মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ভালো হয়েছে। তবে এটিকে পুরোপুরি সন্তোষজনক বলা যাবে না। আমাদের আরও ভালো করার সুযোগ ছিল। নির্বাচন কমিশন তার স্বকীয় ঘাটতি ও সমস্যা সমাধান নিয়ে কাজ করছে।”
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও নিরাপদ করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের কার্যকারিতা যাচাই করা হবে।
কমিশনার মাছউদ জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে সকল রাজনৈতিক দল, প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ভোট প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ রাখার জন্য নির্দেশিকা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি, সিটি করপোরেশন নির্বাচন চলাকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশন মনিটরিং কমিটি পরিচালনা করবে।
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন পরিচালনায় কোনো ধরনের গাফিলতি হবে না। আমরা চাই জনগণ তাদের ভোটাধিকার শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করতে পারুক। সকল প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলকে আইন মেনে নির্বাচন চালাতে হবে।”
সরকার ও নির্বাচন কমিশন একসঙ্গে কাজ করে স্থানীয় সরকারের সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রমজানের পর অনুষ্ঠিত এই সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনার মাসউদের বক্তব্য থেকে পরিষ্কার হয় যে, কমিশন সারা দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের জন্য সমন্বিত ও সুসংগঠিত নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রণয়ন করছে, যাতে ভোটাররা সহজে ভোট দিতে পারে এবং নির্বাচনের ফলাফল স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হয়।