সোমবার (২ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় জানানো হয়, যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ব্যয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা গ্রহণ করেন, সেসব দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।
বার্তায় বলা হয়, ২১ জানুয়ারি (২০২৬) থেকে কার্যকরভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা ইস্যু স্থগিত করেছে। তবে এই স্থগিতাদেশ ভিজিটর ভিসার জন্য প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ, পর্যটন, ব্যবসা বা স্বল্পমেয়াদি সফরের উদ্দেশ্যে ভিজিটর ভিসা আবেদনকারীরা আগের নিয়মেই আবেদন করতে পারবেন।
দূতাবাস জানায়, প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রমও চলমান থাকবে। তবে চূড়ান্তভাবে ভিসা ইস্যুর ক্ষেত্রে এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এ সিদ্ধান্তের ফলে পরিবারভিত্তিক অভিবাসন, কর্মসংস্থানভিত্তিক স্থায়ী বসবাসসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির আবেদনকারীরা সাময়িকভাবে প্রভাবিত হতে পারেন। তবে দূতাবাসের বার্তায় স্থগিতাদেশের মেয়াদ বা পরবর্তী সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে আরও তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট লিংকে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের সর্বশেষ নির্দেশনা জানতে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ এবং পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণাগুলো অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরতার হারকে বিবেচনায় এনে অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতিগত অবস্থানের ইঙ্গিত বহন করে। তবে এটি সাময়িক নাকি দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত— তা এখনো স্পষ্ট নয়।
বর্তমানে যেসব আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে— সে বিষয়েও বিস্তারিত ব্যাখ্যা আসার অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।