ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনের দিনেই অ্যাকাউন্টে এসেছে টাকা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:৪৫ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে চালু হওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধনের দিনেই সুবিধাভোগীদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে আড়াই হাজার টাকা জমা হতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি মাঠে এই প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময় কড়াইল বস্তির নিম্নআয়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেক মানুষের মুঠোফোনে সরকারি বার্তা পৌঁছানোর পর সরাসরি অর্থ জমা হওয়ার খবর সবাইকে আনন্দে ভরে তোলে। আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে এই আর্থিক সহায়তা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি উৎসাহ এবং স্বস্তি তৈরি করেছে। অনেকেই বলেছেন, এই অর্থ দিয়ে জরুরি ওষুধের খরচ মেটানো, ছোটখাটো সঞ্চয় করা বা দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করার পরিকল্পনা করছেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ১৫টি ইউনিয়নের ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। ডাবল ডিপিং, সরকারি চাকরি বা পেনশনসহ অন্যান্য কারণে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রতিটি নির্বাচিত নারীপ্রধান পরিবার একটি আধুনিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাবে। স্পর্শবিহীন (কন্ট্যাক্টলেস) চিপযুক্ত কার্ডে কিউআর কোড এবং এনএফসি প্রযুক্তি থাকবে। এক কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচ সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। পাঁচ জনের বেশি সদস্য থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত কার্ড দেওয়া হবে। প্রতিটি পরিবার মাসে ২,৫০০ টাকা ভাতা পাবেন, যা সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি জমা হবে।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি টাকা জমা হওয়ার কারণে সুবিধাভোগীদের আর কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর দ্বারস্থ হতে হচ্ছে না, যা প্রান্তিক পর্যায়ের জনতুষ্টি বাড়িয়েছে। মাঠ পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত দুস্থদের তথ্য যাচাই করে তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হল স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। প্রকৃত হকদাররা যেন কোনো হয়রানি ছাড়াই সরকারি এই সুবিধা পান, তা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ দরিদ্র পরিবারের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। কড়াইল বস্তিসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা এই অর্থ সহায়তাকে বড় এক স্বস্তি হিসেবে দেখছেন।

বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে এই আড়াই হাজার টাকা সাধারণ মানুষের আনন্দকে দ্বিগুণ করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষামূলক পর্যায়ের সফল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে কর্মসূচির পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আকশজমিন / আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর