ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬ জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস: পথে আরও ৪ জাহাজ


  • আপলোড সময় : বুধবার ১১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৪৪ পিএম

চট্টগ্রাম বন্দরে বুধবার (১১ মার্চ) বহির্নোঙরে ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস হচ্ছে। এ তথ্য জানিয়েছেন হারবার অ্যান্ড মেরিন সদস্য কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ।

একটি ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে বন্দরে এলপিজি, এলএনজি এবং জ্বালানি তেলবাহী জাহাজগুলো নিরাপদভাবে খালাস প্রক্রিয়ায় রয়েছে। পাশাপাশি দেশের পথে আরও ৪টি জাহাজ আসছে, যা আগামী দিনে বন্দরের জলসীমায় প্রবেশ করবে। এর মধ্যে একটি জাহাজ আজই প্রবেশ করবে এবং দুইটি যথাক্রমে ১২ ও ১৪ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে।

কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ জানান, সব জাহাজকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে বন্দরে জ্বালানি খালাস দ্রুত ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া বহির্নোঙরে থাকা মাদার ভেসেলের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের কর্তৃপক্ষ জানায়, এলপিজি, এলএনজি ও তেলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা এবং খালাস কার্যক্রম সুনিশ্চিত করতে বন্দরের অভ্যন্তরীণ ও বহির্নোঙরে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। বন্দরের কর্মীদের পাশাপাশি হেভি ক্রেন ও লোডিং-আনলোডিং ব্যবস্থার আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে।

বন্দর সূত্রে আরও জানা যায়, বর্তমানে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে বন্দরে আগত প্রতিটি জাহাজকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাসের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে এলএনজি ও এলপিজি সরবরাহ দ্রুত করার জন্য বন্দরের সব ডক ও জেটির প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগত জাহাজগুলোর নিরাপত্তার জন্য বন্দরে কোস্টগার্ড ও নিরাপত্তা বাহিনী অবস্থান করছে। বন্দরের বহির্নোঙরে থাকা মাদার ভেসেলের নিরাপত্তা এবং জাহাজগুলোর খালাস প্রক্রিয়ার পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বন্দর প্রশাসন আশা করছে, দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে এ ধরনের ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের বিভিন্ন জ্বালানি বিতরণ কেন্দ্রে তেল ও গ্যাস সরবরাহে কোনো ধরনের বিলম্ব হবে না। বর্তমানে দেশে তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায়, বন্দরে আগত জাহাজগুলোর দ্রুত খালাস নিশ্চিত করা জরুরি।

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি দেশের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প, এলএনজি ও এলপিজি ডিপোতে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। তাই বন্দরে জাহাজ খালাসের সময়সূচি সঠিকভাবে মানা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বন্দর কর্মকর্তা আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ বলেন, “আমরা সব ধরনের নিরাপত্তা ও লজিস্টিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। জাহাজগুলো দ্রুত এবং সুষ্ঠুভাবে খালাস হবে। দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হবে না।”

চট্টগ্রাম বন্দরের এই কার্যক্রম দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এই সময়ে যেখানে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, বন্দরের সুষ্ঠু কার্যক্রম দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সহায়ক হবে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর