ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ

ঈদে ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৬:৩৫ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে ঈদ ফিরতি যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে এই বছর টিকিটের শতভাগ বিক্রি অনলাইনে হচ্ছে, যাতে স্টেশনে দীর্ঘ লাইন ও ভিড় এড়ানো যায়।

শনিবার (১৪ মার্চ) বিক্রয় শুরু হওয়া টিকিট ২৪ মার্চের যাত্রার জন্য পাওয়া যাবে। এরপরের দিনগুলোর টিকিট নির্ধারিত সময়ে বিক্রি হবে। ২৫ মার্চের যাত্রার টিকিট ১৫ মার্চ, ২৬ মার্চের টিকিট ১৬ মার্চ, ২৭ মার্চের টিকিট ১৭ মার্চ, ২৮ মার্চের টিকিট ১৮ মার্চ এবং ২৯ মার্চের টিকিট ১৯ মার্চ থেকে অনলাইনে পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাত্রীদের টিকিট ক্রয় প্রক্রিয়া আরও সহজলভ্য করতে পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে বিক্রি শুরু হবে, আর পূর্বাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে। অনলাইনে টিকিট পাওয়ার সুবিধা থাকায় যাত্রীদের স্টেশনে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন কমে যাবে।

বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আরও সক্রিয়ভাবে টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। বিশেষ করে ঈদের সময় যাত্রী চাপ বেশি থাকায় এটি ভোগান্তি কমাতে সহায়ক হবে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের জন্য নির্ধারিত আসনসংখ্যা রয়েছে ১৬ হাজারের মতো এবং পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনে প্রায় ১২ হাজার আসন অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে।

রেলওয়ে কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, অনলাইনে টিকিট নেওয়ার ক্ষেত্রে যাত্রীদের পরিচয়পত্রের সঙ্গে যাত্রা সম্পর্কিত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে মোবাইল ও কম্পিউটার ব্যবহার করে সহজে টিকিট কেনার নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে। এতে করে স্টেশনে ভিড় ও দীর্ঘ লাইন এড়ানো সম্ভব হবে।

এছাড়া রেলওয়ে স্টেশনগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে ঈদ যাত্রার সময়ে স্টেশনে প্রবেশ ও প্রস্থান করায় নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। যারা টিকিট ছাড়াই স্টেশনে প্রবেশ করতে চাইবেন, তাদের প্রবেশ অনুমতি দেওয়া হবে না। রেলওয়ে সূত্র জানায়, পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলে স্ট্যান্ডিং টিকিটের ব্যবস্থা করা হবে।

ঈদে যাত্রা নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট বিক্রি চালু করা হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের এই উদ্যোগের ফলে যাত্রীরা সহজে ও দ্রুত টিকিট সংগ্রহ করতে পারবে এবং দীর্ঘ পথের ভোগান্তি কিছুটা কমানো সম্ভব হবে। বিশেষ করে ঈদ যাত্রার সময় ট্রেন, স্টেশন ও রেলপথের ওপর চাপ কমানোর ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর