ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ভোগান্তিতে ঘরমুখী মানুষ

গাজীপুরের চন্দ্রায় ১০–১২ কিলোমিটারজুড়ে যানজট


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬ সময় : ১২:৫১ পিএম

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় আজ বুধবার সকাল থেকে যানজটের তীব্রতা লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এই অংশে যানবাহন ধীরগতিতে চলায় প্রায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার এলাকা ভোগান্তিতে ভরা। ঈদের আগে ঘরমুখী মানুষের চাপ বাড়ায় যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তুলনামূলকভাবে যানচাপ থাকলেও বড় ধরনের যানজট দেখা যায়নি। তবে চন্দ্রা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় ধীরগতির কারণে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাস চালকরা জানিয়েছেন, আজ দুপুরের পর গাজীপুরের প্রায় ৪০ শতাংশ কারখানা ছুটি দিলে যানচাপ আরও কয়েক গুণ বাড়তে পারে।

গাজীপুরের বিভিন্ন অংশে যানজট বিস্তার দেখা গেছে, বিশেষ করে সফিপুর থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় পর্যন্ত এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে ত্রিমোড় পর্যন্ত। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও যাত্রী ও যানবাহনের অত্যধিক চাপের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, চন্দ্রা ত্রিমোড়, নবীনগর সড়ক ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যানবাহন কোথাও দীর্ঘ সময় স্থির, কোথাও ধীরগতিতে এগোচ্ছে। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা অধিকাংশ বাস যাত্রীপূর্ণ হওয়ায় নতুন যাত্রী তোলার সুযোগ কম। ফলে স্থানীয় পরিবহনযান মহাসড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। অনেক গাড়ি কারখানা শ্রমিকদের জন্য সংরক্ষিত থাকায় যানজট আরও তীব্র হয়।

আশপাশের এলাকা থেকে ঘরমুখী মানুষের ভিড়ও যানজট বাড়িয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চেষ্টা করছে পরিস্থিতি সামাল দিতে, তবে অতিরিক্ত যানবাহন, সড়কের সংকীর্ণতা ও অগোছালো পার্কিং যানজটের মূল কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে প্রায় পাঁচ হাজার ছোট-বড় কারখানা রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ২৫ শতাংশ কারখানা বন্ধ ছিল। আজ বুধবার অধিকাংশ কারখানা ছুটি দিচ্ছে এবং আগামীকাল আরও ৮৩৩টি কারখানা বন্ধ হবে। এতে আজ ও আগামীকাল যাত্রীর চাপ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

চন্দ্রা উড়ালসড়কের নিচে সেলিম হোসেন নামের এক শ্রমিক জানান, “গতকাল কারখানা বন্ধ ছিল। আজ সকালে রওনা দিয়েছি। যানজট থাকলেও গাড়ি আছে, দরদাম করে যেকোনোভাবে বাড়ি পৌঁছাতে পারব।”

কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম জানিয়েছেন, যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে। মহাসড়কের পাশে শ্রমিকদের জন্য দাঁড়ানো গাড়ি এবং অসংখ্য যাত্রীজট যানবাহন চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে।

সংক্ষেপে, ঈদকে সামনে রেখে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় যানজট ১০-১২ কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। চলাচল ধীরগতিতে হওয়ায় যাত্রী ও চালকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রশাসন পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর