ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

ইরান থেকে ১৮৬ বাংলাদে‌শিকে আজারবাইজানে নেওয়া হয়েছে


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ২০ মার্চ, ২০২৬ সময় : ১১:২৭ এএম

ইরান থেকে ১৮৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আজারবাইজানে নেওয়া হয়েছে। দেশ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ইরান সীমান্ত দিয়ে তাদের আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশিরা বাকুতে পৌঁছেছেন এবং শুক্রবার (২০ মার্চ) তারা ঢাকায় ফেরার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধবিধস্ত ইরান থেকে আটকে পড়া বাংলাদেশিরা নিরাপদে আজারবাইজানে পৌঁছেছে। বাকুর হায়দার আলিয়েভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যাবাসনের এই প্রক্রিয়াটি তদারকির জন্য তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক আজারবাইজানে অবস্থান করছেন। এছাড়া, ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা সহায়তার জন্য বাকুতে উপস্থিত রয়েছেন।

এ ধরনের প্রত্যাবাসনের ঘটনা নতুন নয়। গত বছর জুনে ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের সময়ও বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। তখনও সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তান হয়ে বিশেষ ফ্লাইটে বাংলাদেশিরা দেশে পৌঁছেছিলেন।

তথ্য অনুযায়ী, এ বছরও বাংলাদেশের নাগরিকদের সুরক্ষিত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়েছে। ইরান সীমান্তে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা দীর্ঘ সময় ধরে নিরাপদ দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তাদের জন্য আশার আলো হয়ে এসেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বলেন, “প্রত্যেক নাগরিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এ ধরনের আয়োজন সরকার এবং দূতাবাসের সমন্বয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে।”

ইরান থেকে বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নিয়ম এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে তাদের নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছানোর জন্য ফ্লাইট পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া ফেরার সময় স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষার দিকেও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বর্তমানে বাকুতে থাকা বাংলাদেশিরা সব ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন। তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য, আশ্রয় এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে তারা স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হতে পারবে।

বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফেরানো তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর