বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই ঈদে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই বক্তব্য দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ যে দেশ দেখতে চায়, সেই দেশ গড়তে কাজ করবে সরকার। ৭১ এবং ২৪ সালে যারা শহীদ হয়েছে, তাদের আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তিনি আরও বলেন, প্রত্যাশিত দেশ গড়তে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকারের পরিকল্পনা অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে যে, শুধু সরকার নয়, প্রতিটি মানুষকে দেশ গঠনে দায়িত্বশীল হতে হবে।
ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাধারণ জনগণ আলাপচারিতায় তাদের আশা, সমস্যা এবং দেশের উন্নয়নের জন্য মতামত তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে আশ্বাস দেন যে, সরকারের নীতি এবং কর্মকাণ্ড জনগণের কল্যাণে পরিচালিত হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক নাগরিক যদি দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে এবং সমাজে ঐক্য ও সহযোগিতা বজায় রাখে, তাহলে দেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে দ্রুত এগিয়ে যাবে। ঈদ যেমন পরিবার ও সমাজকে মিলিত করে, তেমনি দেশের সকল অংশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রতীক হিসেবেও তিনি এটি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও শান্তি অর্জনের জন্য সকল রাজনৈতিক দল ও নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। এ সময় তিনি স্মরণ করান, দেশকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অপরিহার্য।
এছাড়া, তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ঈদের আনন্দের সঙ্গে জনগণও দেশের উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে এবং প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গঠনে সবাই এগিয়ে আসবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকলের সহমর্মিতা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নিউজটির মাধ্যমে স্পষ্ট হয় যে, প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য শুধু সরকারের কাজ নয়, বরং দেশ গঠনে প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, “দেশের প্রত্যেক মানুষ যদি একত্রিত হয়ে কাজ করে, আমরা প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।“
আাকশজমিন / আরআর