ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

বর্ণবাদ নির্মূলে বৈশ্বিক ঐক্যের আহ্বান জানালো বাংলাদেশ


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৪ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:০৮ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

বাংলাদেশ বর্ণবাদ নির্মূল, সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং মানব মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘আন্তর্জাতিক বর্ণবাদ নির্মূল দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মারক সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এ আহ্বান জানান।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্য বিরোধী সকল প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে। দেশের অঙ্গীকার অটুট এবং বর্ণবাদ নির্মূলে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি শক্তিশালী। তিনি জাতিসংঘে আরও বলেন, “বর্ণবাদ, জাতিগত বৈষম্য ও অমানবিক আচরণকে প্রতিরোধ করা শুধু নৈতিক দায়িত্ব নয়, বরং বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্যও অপরিহার্য।"

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাখাইন ও গাজায় চলমান বর্ণবাদমূলক নিপীড়নের দিকে আলোকপাত করে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনও ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, "বিশ্বকে একযোগে কাজ করতে হবে, বৈষম্য ও বর্ণবাদ নির্মূল করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একক প্রচেষ্টা প্রয়োজন।"

ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, “আমরা বর্ণবাদ, জাতিগত ও ধর্মীয় বৈষম্য প্রতিরোধে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব নয়। আমরা চাই সকল দেশ একসঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করুক।”

সভায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তৃতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যে, মানবাধিকার ও সাম্যের প্রতিরক্ষা শুধু একটি দেশ বা অঞ্চলের দায়িত্ব নয়। বরং বৈশ্বিক ঐক্য ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বর্ণবাদ ও বৈষম্য নির্মূল করা সম্ভব। তিনি সকল দেশকে বলেছিলেন, “সমস্যার সমাধানে অবহেলা বা দেরি করলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ বাড়বে এবং সাম্য প্রতিষ্ঠা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাধা সৃষ্টি হবে।”

ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘে বলেন, বর্ণবাদ নির্মূল, সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং মানব মর্যাদা সমুন্নত রাখতে আন্তর্জাতিক আইন ও প্রণীত কনভেনশনগুলো কার্যকরভাবে প্রয়োগে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বৈশ্বিক সম্প্রদায়কে সতর্ক করে বলেন, “বৈষম্য ও বর্ণবাদ শুধু সামাজিক নয়, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও বিপদ। তাই তা প্রতিরোধ করা সকলের দায়িত্ব।”

বাংলাদেশের এই আহ্বান বৈশ্বিক সম্প্রদায়ে মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, বর্ণবাদ নির্মূলে আন্তর্জাতিক সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া পৃথিবীতে সাম্য ও মানব মর্যাদা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।



এ সম্পর্কিত আরো খবর