ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

তাড়াশে জব্দ পেট্রোল বিক্রির টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে: তাড়াশ ইউএনও


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৯ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৪০ পিএম

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দ করা পেট্রোল বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পেট্রোল গায়েব হওয়ার যে অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে, তা সঠিক নয় বলেও দাবি করা হয়েছে।

রোববার (২৯ মার্চ) সকালে ব্যাংকের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দকৃত পেট্রোল বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জব্দ করা পেট্রোল বিক্রি করে মোট ৪৩ হাজার ৬১৬ টাকা পাওয়া যায়, যা নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বিনসাড়া বাজারের মের্সাস মোল্লা এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান। এ সময় অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদ রাখার অভিযোগে দোকানটিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় আনুমানিক ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয় এবং দোকান মালিক শাহ আলমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পরে স্থানীয় চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জব্দ করা পেট্রোল তাড়াশ উপজেলার খালকুলা নর্থ বেঙ্গল সমবায় ফিলিং স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রতি লিটার ১১৬ টাকা দরে মোটরসাইকেল চালকদের কাছে জনপ্রতি এক লিটার করে পেট্রোল বিক্রি করা হয়। এভাবে মোট ৩৭৬ লিটার পেট্রোল বিক্রি করা সম্ভব হয়।

এই বিক্রয় থেকে মোট ৪৩ হাজার ৬১৬ টাকা সংগ্রহ করা হয়। তবে সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ওই দিনই অর্থ জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে রোববার সকালে ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী জাহিদুল ইসলাম জানান, জব্দ করা পেট্রোল দুটি ড্রামে করে ফিলিং স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বিক্রি শেষ হওয়ার পর খালি ড্রাম দুটি আবার ফেরত এনে মালিক পক্ষকে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, জব্দ করা তেল গায়েব করা হয়েছে—এমন ধারণা সঠিক নয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান বলেন, আমরা সকল বিধি-বিধান মেনেই তেল জব্দ ও বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। বিক্রি করা তেলের টাকা সাপ্তাহিক ছুটি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রোববার সকালে ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। কেউ ভুল তথ্য জেনে বা না জেনে যদি ভিন্নভাবে প্রচার করে থাকে, তার দায়ভার তাদেরই নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি জানান, তেলের সংকটের সময়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আকাশজমিন / আরআর   


এ সম্পর্কিত আরো খবর